তারা আরও বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কারিগরি আলোচনা এই সপ্তাহে শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে, তবে নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ বা সম্পদ হস্তান্তরের বিষয়টি চুক্তির অধীনে ইরানের প্রতিশ্রুতি পূরণের ওপর নির্ভর করবে।
এদিকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সোমবার সিএনএন-এর জেক ট্যাপারকে বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটি (এমওইউ) ‘প্রায় দেড় পৃষ্ঠার’ এবং এটি একটি খুবই সাধারণ দলিল।
ভ্যান্স আরও বলেন, এর অনেক বিস্তারিত বিষয় ভবিষ্যতের আলোচনার সময় ঠিক করা হবে।
তিনি বলেন, ‘বেশ কিছু বিষয়ে, আমাদের প্রযুক্তিগত আলোচনার পর্যায়ে এই বিষয়গুলো ঠিক করতে হবে, কিন্তু এই এমওইউ যা করে তা হলো এমন একটি কাঠামো তৈরি করা, যার মাধ্যমে ইরানীরা চুক্তির অধীনে তাদের বাধ্যবাধকতা পূরণের মাধ্যমে এর সুফল লাভ করে।’
নথিটির প্রথম অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে ইরান আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হবে, যার মধ্যে সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোকে অর্থায়ন বন্ধ করাও অন্তর্ভুক্ত। ভ্যান্স জানান।
ভ্যান্স বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার একটি যাচাইযোগ্য অঙ্গীকার করবে।’
এদিকে, মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, ট্রাম্প, ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ ইলেকট্রনিকভাবে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।
তারা আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, বুধবারের মধ্যে চুক্তিটির আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হতে পারে - যদিও ট্রাম্প বলেছেন, শুক্রবারের অনুষ্ঠানের পর চুক্তির পূর্ণাঙ্গ পাঠ প্রকাশ করা হবে।
ট্রাম্প বলেন, ‘এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী দলিল, আমি চাই এটি প্রকাশ করা হোক।’
এই চুক্তির ফলে যুদ্ধবিরতি আরও ৬০ দিনের জন্য বাড়ানো হবে, এই সময়ের মধ্যে উভয় পক্ষ একটি চূড়ান্ত চুক্তির বিস্তারিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে।
রোববার এই যুগান্তকারী সাফল্যের ঘোষণা দিয়ে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ, যার দেশ মধ্যস্থতা করছিল, বলেন যে এতে লেবাননসহ সকল ফ্রন্টে সামরিক অভিযানের অবিলম্বে ও স্থায়ী সমাপ্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।