গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফতেহপুর এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়ার ৮ দিন পর আব্দুল আলী চুনু মিয়ার (৭৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে চট্টগ্রামে। নিহতের পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহটি ইতোমধ্যে দাফনও করা হয়েছে। নিহতের ছেলে সাবের আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ১৯ এপ্রিল বিকাল ৫টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে স্থানীয় মীরগঞ্জ বাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হন আব্দুল আলী চুনু মিয়া। এরপর তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পায়নি পরিবার।
পরবর্তীতে গত ২৭ এপ্রিল (সোমবার) চট্টগ্রামে অজ্ঞাত পরিচয়ে এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও পরিচয় শনাক্ত করতে না পারায় ময়নাতদন্ত শেষে ‘আনজুমানে মফিজুল ইসলাম’ কবরস্থানে বেওয়ারিশ হিসেবে তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হয়। এদিকে বাবার সন্ধানে চট্টগ্রামে গিয়ে মরদেহের ছবি ও তথ্যের ভিত্তিতে নিখোঁজ আব্দুল আলী চুনু মিয়ার পরিচয় নিশ্চিত করেন তাঁর ছেলে সাবের আহমদ।
পরিবারের এক নিকটাত্মীয় নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বেশ কিছুদিন ধরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আব্দুল আলী চুনু মিয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য ও ঝগড়া চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই রাগের জেরে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন এবং কোনোভাবে চট্টগ্রামে পৌঁছেছিলেন। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।
রহস্যজনক এই মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। চুনু মিয়ার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া বা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ সারওয়ার খান