১৭/০৯/২০২৫ খ্রিঃ আনুমানিক ১৪:৫০ হতে ১৫.১০ ঘটিকার মধ্যে এয়ারপোর্ট থানার সুবিদবাজার বনকলাপাড়া নূরানী ৩৬/৯ বাসার বাসিন্দা আজমান আহমেদ দানিয়েল (১৯) পিতা: রাশেদ আহমেদ নিজ বাসার ভেন্টিলেটর এর সাথে নাইলনের তার পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।
ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পর এয়ারপোর্ট থানার এসআই (নিঃ) সেলিম মিয়া ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটমকে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষনা করেন। মরদেহ পোস্টমর্টেম এর জন্য সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিমাগারে রয়েছে।
আজমান আহমেদ দানিয়েল Scholarshome শাহী ঈদগাহর ইন্টারমিডিয়েট বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। ঘটনার সংবাদ পেয়ে উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) ও অফিসার ইনচার্জ এয়ারপোর্ট থানা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় ভিকটিমের পিতা,দাদা,চাচা ও অন্যান্য আত্মীয় স্বজন এবং স্থানীয় ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সাইয়েদ আব্দুল্লাহ সহ এলাকার মানুষজন উপস্থিত ছিলেন। ভিকটিমের পিতার সাথে কথা বলে জানা যায় pre test পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ হওয়ায় কলেজের প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপাল তাদের ডাকেন। ভিকটিমের পিতা মাতা দুই তিনদিন আগে কলেজে গিয়ে তাদের সাথে দেখা করলে pre test পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ হওয়ায় তাকে তারা আগামী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দিবেন না বলে জানান। রেজাল্ট খারাপ হওয়ার কারণ হিসেবে অমনোযোগিতা এবং নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিতির প্রসঙ্গ উপস্থাপন করেন।রেজাল্ট খারাপ হওয়ায় তার অভিভাবকদের মন ও খারাপ হয়। উল্লেখ্য যে তার পিতা তাকে অন্য একটি কলেজে ভর্তি করানোর চেষ্টা করেছিলেন।এর মধ্যে আজকে কলেজে গিয়ে কলেজ থেকে ফিরে বাসায় এসে আত্মহত্যা করে।এ বিষয়ে কোন অভিযোগ রয়েছে কি না জিজ্ঞেস করলে উপস্থিত সকলের সামনে তার পিতা জানান কলেজের প্রিন্সিপাল সহ কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নাই। তিনি জানান শিক্ষকগণ এমন বকা দেন নাই যে তার জন্য অভিযোগ করা যায়।তথাপিও এবিষয়ে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।উক্ত ঘটনার বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এ বিষয়ে বিভ্রান্ত না হতে সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ সারওয়ার খান