• শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
হাজার মানুষের উপস্হিতিতে উদীয়মান তরুণ সংঘের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন বিডিআর বিদ্রোহ দিয়ে দেশে খুনের রাজনীতি শুরু হয়েছিল: জামায়াত আমির বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরে চাঁদাবাজ চোর ডাকাতের জায়গা নেই: হুমায়ুন কবির সিলেটে ৫ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস মেয়র প্রার্থীতায় আনোয়ারুল ইসলামকে সমর্থন- বড়লেখায় ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময় সভা বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের গণ-ইফতার ও দোয়া মাহফিল প্র তা র ণার ফাঁদে সিলেটের ক্রেতারা বাজারে সয়াবিন তেলের তীব্র সংকট ঝড়ে লালদীঘির পাড়ে অস্থায়ী দোকান বিধ্বস্ত, ক্ষতিপূরণের দাবি হকারদের স্বস্তির বৃষ্টিতে জেগে উঠল চায়ের রাজধানী ভিজিএফ কার্ড বিতরণে ‘হরিলুটের’ অভিযোগ, বড়লেখায় যুবদল–ছাত্রদল নেতাদের পোস্টে তোলপাড় ঈদ উপলক্ষে বিলবোর্ড–ফেস্টুন লাগিয়ে নগরের সৌন্দর্য নষ্ট না করার আহ্বান সিসিক প্রশাসকের কোম্পানীগঞ্জে ছাত্র মজলিসের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতিকে “জুলাই গাদ্দার” ঘোষণা করে বিরোধীদলের ওয়াকআউট বৃষ্টিহীনতায় কুলাউড়ার ২৬ চা-বাগানে খরা, উৎপাদনে ধস ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু আজ গোয়াইনঘাটে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ, আটক ৮ সংসদের অধিবেশন কক্ষে কালিমা তাইয়্যেবা লেখা আরবি ক্যালিগ্রাফি স্থাপন গোয়াইনঘাটে ড্রিম সানসেটের ব্রাঞ্চ উদ্বোধন ও পথচারী রোজাদারদের মাঝে ইফতার বিতরণ বড়লেখায় ওয়ার্ড জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

ভারতেও চাপের মুখে আওয়ামী লীগ

Reporter Name / ৪৪৬ Time View
Update : শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৫

86

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পালিয়ে দিল্লিতে আশ্রয় নিয়েছেন মাফিয়ানেত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই সে দেশে আশ্রয় নিয়েছেন। আবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগের খুনিদের পক্ষ নেন। কিন্তু সে দেশের জনগণ ১৪’শ মানুষকে খুন করে পালানো শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দেয়ার বিরুদ্ধে। ভারতের সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন জাতিসংঘের তদন্তে ধরাপড়া মানবাধিকার লংঘনকারী শেখ হাসিনাকে কেন আশ্রয় দেয়া হয়েছে? পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের আশ্রয় দেয়ায় নরেন্দ্র মোদীর কঠোর সমালোচনা করেছেন।

ভারতের সাধারণ মানুষ আওয়ামী লীগের নেতা ও শেখ হাসিনা যেন ভারত থেকে রাজনৈতিক তৎপরতা চালাতে না পারেন সে ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছে। ফলে গোপালগঞ্জ ইস্যু নিয়ে আওয়ামী লীগ দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করলেও তা করতে দেয়া হয়নি। হিন্দুস্তান টাইমসসহ ভারতের গণমাধ্যমগুলো বলছে, শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যেন কোনো বক্তব্য না দিতে পারেন, সে বিষয়ে নরেন্দ্র মোদীকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সংবাদ সম্মেলনের আহ্বান করে তা করতে না পারার মাধ্যমে দিল্লি বার্তা দিয়েছে সে দেশেও আওয়ামী লীগের যায়গা হচ্ছে না। বিজেপি সরকারের এমন সিদ্ধান্তে বেশ চাপের মুখে পড়ে গেছে পলাতক আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব।

জানা যায়, নয়াদিল্লিতে সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেছিলেন আওয়ামী লীগের পলাতক শীর্ষ নেতা ও বাংলাদেশ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হাসিনা সরকারের সাবেক মন্ত্রীরা। কিন্তু প্রস্তুতির চূড়ান্ত মুহূর্তে ভারত সরকার সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে সায় দেয়নি। ফলে ভিন্ন নামে আহূত সংবাদ ব্রিফিংটি বাতিল করতে হয়। যদিও আয়োজকদের তরফ থেকে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হওয়া সাংবাদিকদের ‘এটা আপাতত স্থগিত’ জানিয়ে দুঃখ প্রকাশ করা হয়।

এ নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশে গণহত্যা’ চলছে এমন অভিযোগ তুলে শেখ হাসিনার নির্দেশে বুধবার দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলনটির আয়োজন করেছিল ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতা ও সাবেক মন্ত্রীরা। তবে অনুষ্ঠানের ঠিক আগমুহূর্তে তা স্থগিত করা হয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে- বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (বিএইচআরডব্লিউ) নামে একটি অস্তিত্বহীন সংগঠনের ব্যানারে ওই সংবাদ সম্মেলনটির আয়োজন করা হয়েছিল। গত বুধবার স্থানীয় সময় বিকাল সাড়ে ৫টায় এটি হওয়ার কথা ছিল। এর আয়োজক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, যিনি নিজেকে ওই সংগঠনের যুক্তরাষ্ট্র শাখার মহাসচিব হিসেবে দাবি করেন। আয়োজকরা জানিয়েছিলেন, সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের ‘গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও মন্ত্রীদের’ গোপালগঞ্জের সাম্প্রতিক ‘সহিংসতা’ এবং দেশের ‘গণহত্যা’র প্রসঙ্গে বক্তব্য দিবেন। তবে সাংবাদিকরা সম্মেলনস্থলে জড়ো হওয়ার পর মিস্টার সিদ্দিকী এক বিবৃতিতে জানান, ‘ঢাকার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতদের সম্মানে অনুষ্ঠানটি স্থগিত করা হয়েছে। ওই দুর্ঘটনায় ৩৫ জনের বেশি মানুষ, যাদের বেশির ভাগই শিশু প্রাণ হারান এবং প্রায় ১৭০ জন আহত হন।’

জানা গেছে, গত কয়েকদিনে ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল, হাসান মাহমুদ ও মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা দিল্লি সফর করেছেন। তারা চেষ্টা করেও শেখ হাসিনার সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে পারেননি। আওয়ামী লীগের ওই সাবেক মন্ত্রীদের এই সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেয়ার কথা ছিল। সংবাদ সম্মেলনের আয়োজক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী বলেন, এই গভীর শোকাবহ পরিস্থিতিতে এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আমরা সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করার কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd