• বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জামায়াতকে লংমার্চ স্থগিতের আহ্বান জানালেন শাহবাজ শরিফ রিজিক নিয়ে দুশ্চিন্তার অবকাশ নেই প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের জামা-জুতা-ব্যাগ কবে মিলবে? জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: বাসভাড়া কিলোমিটারে ১৮-২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব সিলেটে মহানগর জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল নিউইয়র্ক গেলেন প্রধানমন্ত্রী : জাতিসংঘ অধিবেশনে একগুচ্ছ কর্মসূচি সরকারের একটি চক্র আ.লীগের সঙ্গে আঁতাত করে দেশকে অস্থিতিশীল করছে প্রতি লিটার ডিজেলে ৯০ টাকা লোকসানে আছে বিপিসি: চেয়ারম্যান সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হলেন এমএ মালিক ও এমরান আহমদ যুক্তরাজ্যের অডিটে নিরাপত্তায় দেশসেরা বিমানবন্দর সিলেটের ওসমানী মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা: এমপি নজরুল ৪ ও স্ত্রী ১ দিনের রিমান্ডে উপহার হিসেবে দেওয়া ‘নেক্সাস’ বই ফেরত নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর লাশ উদ্ধার জাতিসংঘে প্রথম ভাষণে দেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী নতুন কমিটি পেল সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদল, দায়িত্বে কারা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভারত সীমান্তে মিলল নিখোঁজ বাংলাদেশি কিশোরের মরদেহ হবিগঞ্জে চা বাগান থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার প্রকাশিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি সাদিক কায়েমের শাহজালাল মাজারে দানবক্সে মিললো ৮৯ লাখ টাকা, সোনা-বৈদেশিক মুদ্রা জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসঙ্ঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান

সিলেটের কনু মিয়া ৩০ বছর ধরে জেলে কেন?

Reporter Name / ২৩৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫

169

হত্যা মামলায় বিচার হয়নি, হয়নি সাজাও। কেবল একটি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে মানসিক রোগী কনু মিয়া কারাগারে কাটিয়ে দিয়েছেন টানা ৩০ বছর দুই মাস ১৯ দিন। অবশেষে সরকারি আইনি সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) হস্তক্ষেপে মুক্তি পাচ্ছেন তিনি।

বৃহত্তর সিলেটের হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার সিংহগ্রাম গ্রামের মৃত চিনি মিয়ার ছেলে কনু মিয়া ১৯৯৫ সালের ২৫ মে ঘুমন্ত অবস্থায় কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন তার মা মেজেষ্টর বিবিকে। মানসিক ভারসাম্যহীন কনু মিয়াকে গ্রেপ্তারের পর পরদিন আদালতে মাত্র তিন লাইনের একটি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। এরপর শুরু হয় তার দীর্ঘ বন্দিজীবন।

তবে মানসিক রোগে আক্রান্ত হওয়ায় হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত ছিল। এতে বছরের পর বছর আটকে থাকেন তিনি, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। অনেকে ধরে নিয়েছিলেন, কনু মিয়া আর বেঁচে নেই।

সাম্প্রতিক সময়ে বিষয়টি নজরে আনেন হবিগঞ্জ জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার সিনিয়র সহকারী জজ মুহম্মাদ আব্বাছ উদ্দিন।   তিনি মামলার বাদী মনু মিয়া ও তার ভাই নাসু মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের সহযোগিতায় কনু মিয়ার জামিনের উদ্যোগ নেন।

গত ১৪ জুলাই হবিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে লিগ্যাল এইডের প্যানেলভুক্ত আইনজীবী অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ জামিন আবেদন করলে বিচারক জেসমিন আরা বেগম সেটি মঞ্জুর করেন। এর মধ্যদিয়ে দীর্ঘ তিন দশক পর মুক্তি পাচ্ছেন কনু মিয়া।

এ উদ্যোগের জন্য লিগ্যাল এইড অফিসার ও সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল হাই।  তিনি বলেন, কনু মিয়া শিগগিরই হবিগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd