• বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ব‍্যবসা দ্বারা মানুষের উপকারের মানসিকতা থাকতে হবে -মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার আজ এসএসসি পরীক্ষায় বসছে সাড়ে ১৮ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রজুড়ে এসএমপি’র নির্দেশনা শেষ দিকে মন্ত্রীরাও হাসিনার কাছাকাছি যেতে পারতেন না : টাইম টিভিকে ড. মোমেন জুড়ীতে প্রধানশিক্ষক নিখোঁজ,মোটরসাইকেল ও জামা কাপড় উদ্ধার হাম-রুবেলা টিকাদান জোরদার করেছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী খাল খননের ফলে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন: শ্রমমন্ত্রী চৌহাট্রায় পরিত্যক্ত হাসপাতাল চালুর আশ্বাস বাণিজ্যমন্ত্রীর জৈন্তাপুরে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করলেন শ্রমমন্ত্রী সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৫ কৃষকের এসএসসি পরীক্ষায় ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ বাতিল ‎ বর্তমান যুগে কসমের কাফফারা কিভাবে আদায় করতে হয়? ৪ চমক নিয়ে বাংলাদেশ সফরের দল ঘোষণা পাকিস্তানের বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্রে ১২ গুণ বেড়ে গেল যাতায়াত খরচ সিলেটে বিদ্যুৎ সং ক ট, বিপাকে ১২ লাখ গ্রাহক ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন করছে জামায়াতে ইসলামী সৌদি আরবে পৌঁছেছে প্রথম হজ ফ্লাইট এবারও হরমুজ পার হতে পারল না ‘বাংলার জয়যাত্রা’ শিশু হাসপাতাল ও পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন করলেন জামায়াত আমির জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ায় হামের পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে: প্রধানমন্ত্রী

সিসিক-সওজ রশি টানাটানি, নগরী সড়কের বেহাল দশা

Reporter Name / ১৮৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫

101

রাস্তাঘাটের বেহাল দশায় দুর্ভোগ যেন নিয়তি নগরবাসীর জন্য নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। নগরের ২৫ শতাংশে বেশী রাস্তা খানাখন্দে ভরা। বৃষ্টিপাত হলেই ভোগান্তি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সড়কের স্থানে স্থানে পিচ উঠে গেছে। ছোট-বড় গর্তগুলো যেন মিনি জলাশয়। বাধ্য হয়ে খানাখন্দ এড়িয়ে যানবাহন চলছে এঁকেবেঁকে। এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিলেট নগরীর ওপর দিয়ে গেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের ৫৬ কিলোমিটার সড়ক ও মহাসড়ক। এসব সড়কের বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী। সিলেট সিটি করপোরেশন এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের রশি টানাটানিতে বিলম্বিত হচ্ছে সংস্কার কার্যক্রম। এতে বলির পাঠা হচ্ছেন নগরবাসী।

কয়েকটি সড়কের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিঠি চালাচালির পরও সিদ্ধান্ত না আসায় সিসিক ও সওজ কেউই উদ্যোগ নিচ্ছেনা। এতে রাস্তাঘাটের অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে। সিলেটবাসীর দাবী মালিকানা জটিলতার সমাধানে উচ্চপর্যায় থেকে উদ্যোগ নিতে হবে।

সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, নগরের ৪২টি ওয়ার্ডে মোট সড়ক আছে ১ হাজার ৬৮ কিলোমিটার। এর মধ্যে পুরোনো ২৭টি ওয়ার্ডে আছে ৬৬৮ কিলোমিটার সড়ক। সর্বশেষ ২০২৩ সালের ২১ জুন সিটি নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ভোট হওয়া নতুন ১৫টি ওয়ার্ডে সড়ক আছে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার। পুরোনো ওয়ার্ডগুলেতে অন্তত ২৫ কিলোমিটার সড়ক খানাখন্দে ভরা। নতুন ও পুরোনো সব ওয়ার্ড মিলিয়ে প্রায় ২৫ শতাংশ সড়কের বেহাল দশা। সংস্কারের উদ্যোগ না থাকায় সড়কগুলো দিন দিন যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

সিসিকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নগরের ২৫ শতাংশ সড়কই খানাখন্দে ভরা। আখালিয়া নতুনবাজার এলাকার সড়কটি বিধ্বস্ত অবস্থায় আছে। সড়কের খানাখন্দে পড়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। টানা বৃষ্টি হলে গর্তে নোংরা পানি জমে থাকে। যানবাহন চলাচলের সময় গর্তে চাকা পড়ে পানি ছিটকে পথচারীদের শরীর ও কাপড়চোপড় নোংরা পানিতে ভিজে গিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় যাত্রীদের।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শুধু নগরের আখালিয়া নতুনবাজার, কালীঘাট, শাহচট রোড, আমজদ আলী রোড, মহাজনপট্টি, লালদিঘীর পাড়, শাহজালাল উপশহর ও সোনারপাড়া এলাকা বেশি ভাঙ্গাচোরা অবস্থায় আছে। এছাড়া নগরীর সোবহানীঘাট, রায়নগর, আলুরতল, পাঠানটুলা দরজিপাড়া, বালুচর, মেজরটিলাসহ অর্ধশতাধিক এলাকার সড়কের বেহাল দশা।

এছাড়া নগরীর বোরহান উদ্দিন সড়কটি খানাখন্দকে ভরা। পুরোপুরি বিধ্বস্ত হওয়ায় রাস্তাটি যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠছে। অসুস্থ মানুষ, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের নিয়ে এই সড়কে চলা দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন কানাইঘাট ও গোলাপগঞ্জ উপজেলার শত শত যানবাহনে হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। নগরীর টিলাগড়, মেন্দিবাগ, মুরাদপুর, কুশিঘাট এলাকার রাস্তার অবস্থা দেখে মনে হয় এই নগরে কোনো অভিভাবক নেই।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত এক বছরের ধরে এসব রাস্তাঘাটের বেহাল দশা। কিন্তু সিটি কর্পোরেশন কিংবা সড়ক ও জনপদ বিভাগ কারো উদ্যোগ চোখে পড়ছেনা।

শাহজালাল উপশহর এলাকার বাসিন্দারা জানান, এলাকার প্রধান সড়কটি ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরেই সড়কটি যান চলাচলের অনুপযোগী। পাশাপাশি শাহজালাল উপশহর এলাকার পাড়া-মহল্লার ভেতরে বিভিন্ন বø­কের বেশ কিছু রাস্তায় অসংখ্য খানাখন্দ। দিনের পর দিন ভাঙাচোরা অবস্থায় এসব সড়ক। ফলে দেড় বছরের বেশি সময় ধরে সড়কটিতে খানাখন্দ থাকলেও সংস্কারে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগই নিচ্ছে না। দুর্ভোগ নিয়েই লোকজনকে চলাচল করতে হচ্ছে।

আখালিয়া নতুনবাজার এলাকার বাসিন্দারা জানান, বাসার বাইরে বেরুলেই ভাঙাচোরা রাস্তা দিয়ে যেতে হয়। দেড় বছরের বেশি সময় ধরে সড়কটিতে খানাখন্দ থাকলেও সংস্কারে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগই নিচ্ছে না। সড়কটি এখন অনেকটা ব্যবহারের অনুপযোগী। এর মধ্যে আবার টানা বৃষ্টিতে গর্তে পানি জমে দুর্ভোগের শেষ নেই।

সরজমিনে দেখা গেছে, নগরীর আখালিয়া নতুন বাজার সড়কটির বেহাল দশা। সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ ও খোয়া উঠে গেছে। সড়কের বিভিন্ন অংশে আছে ছোট বড় অসংখ্য গর্ত। ফলে মদীনা মার্কেট থেকে নতুন বাজার-শাহজালাল বিশ^বিদ্যালয়-টিলারগাও, চাতল এলাকায় যাতায়াতকারী যাত্রীদের দূর্ভোগের অন্ত নেই।

অপরদিকে সিলেট নগরের প্রবেশমুখ চন্ডিপুল থেকে হুমায়ুন রশিদ চত্বর, এই দুই কিলোমিটার সড়ক যেন মরণফাঁদ। বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে মহাসড়কে। দীর্ঘদিন ধরে ছোট বড় যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করছে। ফলে দূর্ঘটনার শঙ্কাও বেড়েছে বলে জানান চালকরা। সড়কটির মালিক সড়ক ও জনপথ বিভাগ। কিন্তু এ ব্যাপারে উদাসীন সওজ, এমনটাই জানালেন চালকরা। সড়কটি সংস্কারে তেমন কোনো উদ্যোগও চোখে পড়ছে না।

নগরীর লালদিঘীরপার, কালীঘাট, ওসমানী শিশু পার্কের সামনের সড়ক, শিবগঞ্জ, দাদাপীরের মাজারের ভেতরের সড়কের পিচ ঢালাই উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কালীঘাট এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, নগরীর প্রধান পাইকারি বাণিজ্য কেন্দ্র কালিঘাট, বন্দরবাজার, লালদিঘীপার সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাইকারীবাজার হওয়ায় প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে মালামাল নিয়ে দূরপাল্লার অনেক ভারি যানবাহন চলাচল করে। যে কারণে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সড়কটি ব্যস্ত থাকে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বর্তমানে মজলিস হোটেলের সম্মুখ থেকে লালদিঘী হয়ে কালিঘাট পর্যন্ত সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। খানাখন্দে এই সড়ক দিয়ে চলাচল করা দায়। একটু বৃষ্টি হলেই সড়কটির আরো করুণ দশা ফুটে উঠে। কর্দমাক্ত সড়কে হাটাচলা করা মুশকিল হয়ে পড়ে। কালীঘাট থেকে ক্বীন ব্রিজের সড়কেরও একই অবস্থা। অধিকাংশ গর্তে পানি জমে থাকে। ফলে চলাচল দুরূহ হয়ে পড়ে। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, সড়কের খারাপ অবস্থা ব্যবসার উপরও প্রভাব ফেলছে।

একইভাবে সড়কের বেহাল দশা জেল রোড পয়েন্ট থেকে ওসমানী শিশু পার্ক ও মিরাবাজার থেকে শিবগঞ্জ পর্যন্ত। আবার শিবগঞ্জ থেকে টিলাগড় পয়েন্ট পর্যন্ত বেশকিছু অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এমসি কলেজ, সরকারি কলেজসহ এই সড়ক মাড়িয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকাতেও যেতে হয়। যে কারণে সড়কটি অনেক গুরুত্ব বহন করে। যদিও এই সড়কটি সওজের। কিন্তু সড়ক ও জনপথ বিভাগ এই সড়কটি সংস্কারে উদাসীন বলে অভিযোগ এই সড়কে চলাচলকারী যাত্রীদের।

একই অবস্থা নগরীর ভার্থখলা, স্টেশন রোড, সিলেট রেলওয়ে স্টেশন এলাকার। এসব এলাকার কিছু রাস্তা একেবারে যান চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। একটু বৃষ্টি হলেই এসব রাস্তায় কোমড় পানি হয়ে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি করে।

নগরের রায়নগর দাদাপীর মাজার থেকে শাহী ঈদগাহ সড়কটি একেবারেই চলাচলের অনুপোযুক্ত হয়ে পড়েছে। বড় বড় গর্তে এই সড়ক দিয়ে চলাচল করা দায়। খানাখন্দের জায়গা দিয়ে গাড়ি ধীরে ধীরে চলাচল না করলে উল্টে যাওয়ার উপক্রম হয়। অনেক সময় গাড়ি উল্টে গিয়ে হতাহতের ঘটনাও ঘটে। সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার করা হচ্ছে না বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।

শুধু এসব সড়কই নয়, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডের পাড়া-মহল্লার সড়কগুলোর অবস্থাও এমন। মাসের পর মাস মানুষ কষ্ট করছেন, দুর্ভোগে পড়ছেন। তবুও সংস্কার হচ্ছে না সড়কগুলো।

নগরবাসীর দাবী, সিলেট সিটি কর্পোরেশন সড়ক সংস্কারে উদাসীন। নাগরিকগণ নিয়মিত কর পরিশোধ করলেও ন্যূণতম সেবা দিতে পারছে না সিটি কর্পোরেশন। নগরের বিধ্বস্ত সড়কগুলো দ্রæত সংস্কার করা উচিত।

তবে সিটি কর্পোরেশন বলছে, নিয়মিতই সড়ক সংস্কার করা হয়। এটা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। ধারাবাহিকভাবে সবগুলো সড়কই সংস্কার করা হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে টেকসই সড়ক নির্মাণে জোর দিতে হবে। সড়কের ডিজাইন ও নির্মাণের মান নিশ্চিত করতে হবে। সড়কে যেন পানি জমে না থাকে, সেভাবে প্রতিটা সড়কের ডিজাইন করতে হবে। তাহলে সড়ক টেকসই হবে। দীর্ঘদিনেও সড়কের ক্ষয় হবে না। অন্যথায় এই দুর্ভোগের শেষ হবেনা।

সিলেট নগরের প্রধান সড়কের প্রায় ৭০ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে মালিকানা জটিলতার কারণে এসব সড়কের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও সড়ক ও জনপথ বিভাগের ৫৬ কিলোমিটার সড়ক সিটির আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। এই জটিলতার কারণেই নগরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংস্কার করা যাচ্ছে না।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার দৈনিক জালালাবাদ বলেন, নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে নগরের ভেতরে ২২ কিলোমিটার সড়ক সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) নিয়ে সিটি করপোরেশন সংস্কার করেছিলো। তবে এনওসি নিয়ে সংস্কার একবারের জন্যই হয়ে থাকে। এ নিয়ে অডিটসহ নানা প্রশাসনিক জটিলতার মধ্যে পড়তে হয় সিটি করপোরেশনকে। এরপরও আমরা কিছু এমন কিছু সড়ক আমরা সংস্কার করছি।

তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনের আওতাধিন খানাখন্দে ভরা রাস্তা সংস্কারের জন্য ইতোমধ্যে টেন্ডার হয়েছে। আরো কিছু অফিসিয়াল ফরমালিটি রয়েছে সেটি চলছে। এছাড়া আবহাওয়ার উপরও নির্ভর করতে হচ্ছে। যাতে যখন কাজ হবে তখন অন্তত ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টা যেনো বৃষ্টিহীন সময় পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগ-সওজ সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী আমির হোসেন দৈনিক জালালাবাদকে বলেন, নগরের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত ৫৬ কিলোমিটার সড়কের মালিকানা হস্তান্তরের বিষয় নিয়ে স¤প্রতি একাধিকবার সভা হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সময়টা নির্ধারণ করে দেয়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, যখন তখন কোন রাস্তা আমাদেরকে সমজিয়ে দিলে আমরা সংস্কার করতে পারিনা। কারণ আমাদেরকে এক বছর আগে থেকেই বাজেট পাশ করতে হয়। সিটি কর্পোরেশন যদি হঠাৎ করে আমাদেরকে খারাপ রাস্তা সমজিয়ে দিতে চায়। সেটা আমরা নিতে পারিনা। তবে যে রাস্তাগুলো নিয়ে কিছুটা সমঝোতা হয়েছে সেগুলোর ব্যাপারে আমরা একটা সিদ্ধান্তে আসতে যাচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd