• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রায়হান হত্যা: কোথায় আছেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এসআই আকবর গোয়াইনঘাটে কাপনা নদীতে সেতুর দাবি, দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ সিলেটে নাগালের বাইরে ১৭৫টন বর্জ্য, কোটি টাকা লোকসান গুনছে সিসিক লগি-বৈঠার হত্যাকাণ্ডের ‘জীবন্ত শহীদ’ বাবুল এখন সিসিকের মেয়র প্রার্থী কুলাউড়ায় বিএনপিতে যোগ দিলেন প্রবাসী আওয়ামীলীগ নেতা সাইফুল আলম সিদ্দিকী পল্টন ট্র্যাজেডি দিবসে কুলাউড়ায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সরতেই হচ্ছে পুলিশ প্রধানকে ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপি অসতর্কভাবে শব্দচয়ন করেছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিলেটে বেড়েছে মশার উপদ্রব, ফগার মেশিন হাতে মশক নিধনে সিসিক প্রশাসক সিলেটে ছাত্রলীগের মিছিল প্রস্তুতি, আ ট ক ২ আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নেই মুশফিক রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবর আজ, লগি-বৈঠার তাণ্ডবে নিহত হন ১৩ জন ফায়ার সার্ভিসকে বিশ্বমানের করতে হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী বড়লেখায় মাত্র ৯০ টাকার জন্য প্রাণ গেল দর্জির প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে প্রেসক্লাব বিলুপ্ত করা যাবে না নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের আমন্ত্রণে নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি জামিন মেলেনি আখতারুজ্জামানের

নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে ৪৬৯, পর্যটকসহ এখনও নিখোঁজ অনেক

Reporter Name / ১১৬ Time View
Update : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬

161

পাল আকস্মিক বন্যা এবং প্রলয়ংকরী ভূমিধসে নিহত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬৯ জনে। এ ঘটনায় এখনও হাজারও মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দেশি ও বিদেশি পর্যটক রয়েছেন।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নেপালি গণমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবারের ভয়াবহ ভোটেকোশী নদীর বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তবে এখনও হাজারও মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

উল্লেখ্য-বুধবার সকালে উত্তর নেপালের রসুয়া এবং আশেপাশের জেলাগুলোতে এই বন্যা আঘাত হানে। ফলে ভোটেকোশী ও ত্রিশূলী নদীতে তীব্র বেগে পানি এবং ধ্বংসাবশেষের স্রোত নেমে আসে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ঘরবাড়ি, সেতু, সড়কসহ অন্যান্য অবকাঠামো ভেসে গেছে এবং কিছু অঞ্চলের স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও পর্যটকরা দেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন।

বিভিন্ন জেলা থেকে হতাহত ও নিখোঁজের প্রতিবেদন একত্রিত করার কাজ কর্তৃপক্ষ চালিয়ে যাওয়ায় এই দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনও অস্পষ্ট।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক পর্যটক ও ট্র্যাকার রয়েছেন। নেপাল পর্যটন বোর্ড বৃহস্পতিবার রাতে জানায়, বন্যা উপদ্রুত এলাকায় ১২৭ জন নেপালিসহ মোট ৬৬৭ জন পর্যটক ও ভ্রমণকারী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

নিখোঁজ ভ্রমণকারীদের তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের কাজ করছে দেশটির পর্যটন বোর্ড, সংস্কৃতি, পর্যটন ও বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং পর্যটন খাতের অন্যান্য সংস্থা।

এছাড়া অনুসন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতায় তাঁরা ট্রাভেল এজেন্সি, ট্র্যাকিং কোম্পানি, গাইড, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছেন।

অনুসন্ধান, উদ্ধার ও উচ্ছেদ অভিযানের জন্য নেপালি সেনাবাহিনী, নেপাল পুলিশ এবং আর্মড পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে পৌঁছাতে এবং বেঁচে যাওয়া মানুষদের সরিয়ে নিতে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে, আর ভূমিতে থাকা দলগুলো নদীর তীর ও নিম্নাঞ্চলের লোকালয়গুলোতে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।

এই বন্যা অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অন্যান্য অবকাঠামোর মারাত্মক ক্ষতি করেছে, যা উপদ্রুত সম্প্রদায়গুলোর কাছে পৌঁছানোর প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলেছে।

হঠাৎ ঘটে যাওয়া এই ধ্বংসাত্মক প্লাবনের কারণ এখনও তদন্তাধীন। হিমালয়ের পাদদেশে কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই এই বন্যা আঘাত হানে এবং ভোটেকোশী ও ত্রিশূলী নদী প্রণালীর মধ্য দিয়ে দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় থাকা মানুষজন নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার খুব একটা সময় পাননি।

সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd