• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে: হাইকোর্ট ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি; প্রতিনিধি পাঠানোরও সুযোগ নেই শনিবার সকালে বিদ্যুৎ থাকবে না সিলেটের অর্ধশতাধিক এলাকায় শরিয়াহবিরোধী আইন হলে ওলামায়ে কেরাম মেনে নেবে না বিরোধী দলকে সঙ্গে নিয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী র‌্যাবের বিলুপ্তি চেয়েছিলাম, নাম বদলে একই বাহিনী চাইনি : সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা নতুন নামে এলো র‌্যাব অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে ও ফসলি জমি রক্ষায় গোয়াইনঘাটে দুই গ্রামবাসীর মানববন্ধন মহানবী (সাঃ) আদর্শ অনুসরণের মধ্যেই রয়েছে মানুষের দুনিয়া ও আখেরাতের জীবনের সফলতা-মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার বিশ্বনাথে দাখিল উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করলো সোনাপুর চ‍্যারিটি গ্রুপ ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জৈন্তাপুরে এস্কেভেটর চাপায় প্রাণ গেল লরি চালকের দারুল ফালাহ মডেল মাদ্রাসার উদ্যোগে সিরাত কনফারেন্স অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রের সাথে ‘সম্পর্ক’, নবম শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা ৫ বছরের মধ্যে কৃষকরা পাবে সৌরবিদ্যুৎ চালিত পানির পাম্প: প্রধানমন্ত্রী এই সংসদে বেশিরভাগ সংসদ সদস্যই ঋণ খেলাপি হিসেবে পরিচিত: রুমিন ফারহানা এমপি ফাজিলচিশতে ছড়ায় বর্জ্য ফেলায় ৬ জনকে জরিমানা সিসিকের গভীর সাগরে নতুন এলএনজি টার্মিনাল ও ১৫০ কূপ খননের পরিকল্পনা নামাজের বিরতিতে সংসদের মুসলিম সদস্যদের মসজিদে যাওয়ার আহ্বান জামায়াত এমপির সরকারও মনে হয় আশির দশকে ফেরত যাচ্ছে: নাহিদ ইসলাম

হাসিনাকে ধরে আনব, তার জন্য মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: তথ্য উপদেষ্টা

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

19

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত ও ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফিরে আসার আর সময় নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ‘এখন আমরা তাকে ধরে আনতে চাই। তার জন্য মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে।’

মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও অগ্রগতি নিয়ে করা নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সাংবাদিকেরা জানতে চান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর এবং ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকার বর্তমান কী ভাবছে?

ডা. জাহেদ বলেন, “আমরা একটা কথা ক্লিয়ারলি বলতে চাই, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সঙ্গে যখন কন্ডিশন দেওয়া হয়, তখন ‘উই হ্যাভ টু টেক ইট সিরিয়াসলি’। আমরা প্রায়ই বলছি, শেখ হাসিনা আপনি আসবেন না, আপনাকে আমরা ধরে নিয়ে আসতে চাই। আপনি পলাতক আসামি। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।”

সাংবাদিকদের উদ্দেশে ডা. জাহেদ বলেন, ‘আপনারা খেয়াল করেছেন যে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, তার এখন আর আপিল করারও সুযোগ (সময় পেরিয়ে গেছে) নাই। উনি (হাসিনা) এসে আপিল করে সেটা পুনর্বিবেচনা করাবেন, সেই সময়ও নাই। তার মানে, ব্যাপারটা টেকনিক্যালি এখন এরকম যে, তার জন্য মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে। আমরা তাকে ধরে আনতে চাই।’ সাম্প্রতিক সময়ে আবার তিনি (হাসিনা) প্রেস কনফারেন্স করেছিলেন, আমরা খুব স্ট্রংলি রিঅ্যাকশন দিয়েছি।’

ডা. জাহেদ বলেন, ‘এখন (হাসিনা) কিছু মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলছেন, সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন ভারতের প্রতিষ্ঠিত মিডিয়ার সঙ্গে। বুঝতেই পারেন, এটা আনএক্সপেক্টেড। আমরা তাকে প্রত্যর্পণের আগ পর্যন্ত অন্তত তিনি যেন এগুলো করতে না পারেন। আমরা এক্সপেক্ট করেছিলাম।’

তিনি বলেন, ‘এক্সপেক্ট করব, ভারত সরকার এ ব্যাপারে তাকে একটা বার (বাধা) দেবে। তিনি ওখানে পালিয়ে আত্মগোপনে আছেন। সেখানে তিনি এই রাইটগুলো ভোগ করতে পারেন কি নাÑএগুলোরও ক্লারিফিকেশন নাই। আমি মনে করি যে, এটা তাদের (ভারত) দিক থেকে সঠিক হচ্ছে না। আর আমরা তাকে আনতে চাইছি, প্রত্যর্পণের দাবিটা ইজ স্ট্রং। এর মধ্যে কোনো কৌশল নেই।’

তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘ইন্ডিয়া সরকার কেন এই যে সম্পর্কটা যে জায়গায় (খারাপ) চলে গিয়েছিল, তাকে উন্নতি করার জন্য অন্তত একটা স্টেপ কিন্তু ইমিডিয়েটলি তারা নিতে পারতেন, সেটা হচ্ছে তার (হাসিনা) মুখ বন্ধ রাখা। সেটা কেন নিচ্ছেন না, সেই জবাব আমি আপনাদের কাছে চাইব।’

তিনি বলেন, ‘ভারতের হাইকমিশনার একজন পলিটিক্যাল পারসন। আমরা তাকে পজিটিভলি দেখেছি। এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞেস করুন, শেখ হাসিনার ব্যাপারে তো আমাদের সেনসিটিভিটি আছে। হাসিনাকে মিডিয়ায় কথা বলতে দেখা আমাদের জন্য কতটুকু ইরিটেটিং, কতটুকু আমাদের ক্ষুব্ধ করে, সেটা তাদের বোঝা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘হাইকমিশনারের কাছে এটা জানতে চাইবেন যে, তারা কি মনে করেন যে এটা পজিটিভ হচ্ছে? মুখে বলছি (দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে), কিছু কিছু সিগন্যালও দিচ্ছি। কিন্তু একই সঙ্গে এমন কিছু করছি, যেটা আসলে নেগেটিভ করে ফেলে। শেখ হাসিনা যখন সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন, আমাদের যে প্রতিবাদলিপি ছিল। সেই প্রতিবাদলিপিতে এ কথাটাই বলা হয়েছে যে, একটা এনভায়রনমেন্ট আসলে লাগবে, আস্থার এনভায়রনমেন্ট। আমাকে কনভিন্সড হতে হবে আপনি আসলে আমার সাথে যথেষ্ট এনগেজ করতে চাইছেন।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd