• বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
গভীর সাগরে নতুন এলএনজি টার্মিনাল ও ১৫০ কূপ খননের পরিকল্পনা নামাজের বিরতিতে সংসদের মুসলিম সদস্যদের মসজিদে যাওয়ার আহ্বান জামায়াত এমপির সরকারও মনে হয় আশির দশকে ফেরত যাচ্ছে: নাহিদ ইসলাম মানবতাবিরোধী অপরাধীদের পাসপোর্ট কেন বাতিল হচ্ছে না, প্রশ্ন আখতারের জাফলং ইসিএ এলাকায় অভিযান: ১০টি ড্রেজার, ৬টি এক্সকেভেটরসহ বিপুল সরঞ্জাম ধ্বংস ভাইরাল ‘নব্বই দশকের’ ছবি বানাতে ব্যবহার করুন এই ১০ প্রম্পট টিকিট কালোবাজারি, সিলেট রেল স্টেশন থেকে রেল পুলিশের দুই সদস্য আটক সাধারণ ক্ষমা করে আ.লীগকে নরমালাইজ করেছেন জামায়াত আমির: রাশেদ খাঁন আগামী মাসে বাংলাদেশে আসছে উইন্ডিজ বাগবিতণ্ডার জেরে এজলাস ছাড়লেন প্রধান বিচারপতি ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর লংমার্চ: জামায়াতের বাস্তবায়ন কমিটির প্রস্তুতি বৈঠক সিলেটে অনিবন্ধিত সিএনজি অটোরিকশা ও ব্যাটারি রিকশা বন্ধের নির্দেশ জগদীশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন সাংবাদিক মঈনউদ্দীন গোয়াইনঘাটে ইএসডিওর প্রতিষ্ঠা প্রকল্প অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত রুহামা ইউনাইটেড স্কুলের সীরাতুন্নবী (সাঃ) এর আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন সিউক চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর সঙ্গে কামরুল হাসান চৌধুরী শাহিনের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজপথ হতে সিলেট সিটি মেয়র প্রার্থী ড. নুরুল ইসলাম বাবুল হাসিনাকে ধরে আনব, তার জন্য মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: তথ্য উপদেষ্টা দেশে ফেরার পথে সৌদিতে দুর্ঘটনায় সিলেটের ৪ প্রবাসী নিহত সিলেটে পুলিশ কর্মকর্তার নাম-ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকে ধর্ম অবমাননাকর পোস্ট, থানায় জিডি

সরকারও মনে হয় আশির দশকে ফেরত যাচ্ছে: নাহিদ ইসলাম

Reporter Name / ৩ Time View
Update : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

4

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ট্রেন্ড শুরু হয়েছে, সবাই আশির দশকে ফেরত যাচ্ছে। এই সরকারকে দেখেও মনে হচ্ছে- তারাও যেন আশির দশকে ফিরে যেতে চাইছে। আশির দশকে তো এমন গ্যাস-বিদ্যুৎ ছিল না। মনে হচ্ছে সরকারও সোশ্যাল মিডিয়ার এই ট্রেন্ডের সঙ্গে থাকার চেষ্টা করছে। তবে আমরা বলব, সরকার ট্রেন্ডের সঙ্গে থাকুক, কিন্তু তা যেন ইতিবাচকভাবে হয়।

বুধবার বিকেলে জাতীয় ছাত্রশক্তি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আয়োজনে ‘বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তারুণ্যের রাজনৈতিক ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, পুরো পৃথিবী যখন এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশ যেন কোনোভাবেই পিছিয়ে না পড়ে- এটাই আমাদের সকলের প্রত্যাশা। বিশেষ করে এত বড় একটা গণঅভ্যুত্থান, এত রক্তদান এবং এত আত্মত্যাগ। আর এই আত্মত্যাগ ও রক্তদানের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু ছিল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এবং এর শিক্ষার্থীরা। তাই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নিয়ে সরকারের বিশেষ নীতি ও পরিকল্পনা থাকা উচিত, যা আমাদের সবার প্রত্যাশা।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় নামের সঙ্গেই ‘বিশ্ব’ শব্দটি যুক্ত আছে। এটি কোনো আঞ্চলিক বা কেবল জাতীয় বিষয় নয়, এটি একটি আন্তর্জাতিক বিষয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্যই হলো বিশ্বমানের চিন্তা-চেতনাকে ধারণ করা, উদ্ভাবন করা এবং নতুন প্রজন্মকে আগামীর পৃথিবীর জন্য প্রস্তুত করা।

নাহিদ ইসলাম বলেন, সম্প্রতি সংসদে এক মাননীয় সংসদ সদস্য তার জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি জানিয়েছেন। তার দেখাদেখি আরও ১০ জন সংসদ সদস্য ১০টি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি তোলেন। পরবর্তী সময়ে শিক্ষামন্ত্রী জানালেন যে, প্রথম দাবিটির জেলায় নাকি আগেই বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত হয়েছে এবং কেবল ভিসি নিয়োগ বাকি। আমরা বিগত শাসনামলেও দেখেছি- প্রতিটি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় করার একটি প্রবণতা তৈরি হয়েছিল। তারা কেবল দলীয় লোকদের চাকরি দেওয়া বা রাজনৈতিক খাতিরে বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় খুলেছিল, যাতে মনে হতো জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় হলেই বুঝি বিপ্লব ঘটে যাবে। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কেবল জেলাভিত্তিক উদ্যোগ হতে পারে না। এর পেছনে জাতীয় পরিকল্পনা ও রূপকল্প থাকতে হবে। যেমন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট বা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একেকটি সুনির্দিষ্ট রূপকল্প ছিল, যা তারা দেশকে দিতে পেরেছে। একইভাবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও পরিকল্পনা থাকা উচিত- এই বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে পুরো বরিশাল অঞ্চলকে নেতৃত্ব দেবে এবং জাতীয় পর্যায়ে কী অবদান রাখবে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, গবেষণানির্ভর ১০টি কার্যকর বিশ্ববিদ্যালয় করা ৭১টি জেলায় কেবল স্নাতক তৈরির চেয়ে অনেক বেশি ফলপ্রসূ।

তিনি আরও বলেন, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার আমূল সংস্কার না করলে তরুণদের কর্মসংস্থান ও ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সম্প্রতি সরকারি চাকরির ভাইভায় নম্বর প্রায় ৪০০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব দেখা গেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। যেখানে তাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই নির্বাচনের আগে বলেছিলেন ভাইভার নম্বর ৫০ এ নামিয়ে আনা উচিত, সেখানে ক্ষমতায় এসে এমন বিপরীত সিদ্ধান্ত গ্রহণ মেনে নেওয়া যায় না। এ ধরনের দ্বৈত নীতি ও সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

সরকারকে হুঁশিয়ার করে নাহিদ ইসলাম বলেন, “কোটা হাসিনাকে দিল্লি পাঠিয়েছে, ভাইভা আপনাদের কোথায় পাঠায় নিজেরাও টের পাবেন না।” তিনি অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া হঠাৎ করে এ ধরনের সিদ্ধান্ত না নেওয়ার আহ্বান জানান।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ত্যাগ ও রক্তদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যে ত্যাগ ও রক্ত দিয়েছেন, তা আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা এবং আহতদের প্রতি আমাদের পূর্ণ সমবেদনা রইল। এনসিপি তরুণদের ও শিক্ষার্থীদের দল। আপনাদের গঠনমূলক সমালোচনা ও সহযোগিতা নিয়েই আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতুসহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ছাত্রশক্তি ববি শাখার আহ্বায়ক মোহাম্মদ বেলাল। অনুষ্ঠানে জুলাই ৩৬- কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd