হাসিনা সরকারের নানা ভুল অকপটে স্বীকার করেছেন সাবেক পররাস্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন। বলেছেন- ‘সরকার সরকারি কর্মচারীর ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, ওরা যা বলে তাই। একজন মন্ত্রী হিসেবে কিংবা এমপি হিসেবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করার সুযোগ আমাদের সীমিত হয়ে গেল।’ সম্প্রতি যুক্তরাস্ট্র ভিত্তিক টাইম টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেছেন।
এ সময় তিনি স্বীকার করেছেন জনগনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা কমে যাওয়া ও চাঁদাবাজি এ দুটো বিষয় ছিলো তৎকালীন সরকারের ভুল। সাক্ষাৎকারে যুক্তরাস্ট্রে বসবাস করা ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন- ‘প্রধানমন্ত্রী মাঝেমধ্যে কোন জায়গায় বড় বক্তৃতা দেন, আমরা দূরে চেয়ারে বসে থাকি আর শুনি। তারপরে যখন উনি বক্তৃতা শেষ করেন তখন আমরা রাজনীতিবিদরা উনার সঙ্গে কথা বলার জন্য সামনে অগ্রসর হলে এসএসএফ লোক ২৫ ফিট দূরে দূর দূর করে সরিয়ে দেয়।
তার ফলে আমরা যা কিছু ফিল করি, এই চাঁদাবাজি, এই করাপশন পাবলিক কী মনে করছে সেটা বলার সুযোগ আমাদের কমে গেল। তো আমার মনে হয়- আমাদের সবচেয়ে বড় অপরাধ হয়েছে দুটো। একটি হচ্ছে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা কমানো বা কমে গেছে, আর আরেকটি হলো আমাদের অনেক বিভিন্ন শ্রেণীর নেতারা এই চাঁদাবাজিতে মুখ্য হয়ে গেলেন।’ সিলেট এয়ারপোর্টের কাজের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন- ‘এয়ারপোর্ট হবে তিন বছরে, তিন বছর পার হয়ে গেছে ১০ শতাংশ কাজ হয়নি। এর মূল কারণ হচ্ছে আপনার দুর্নীতি।