মির্জা ফখরুল বলেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ সব প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালের মধ্যে প্রায় ১২ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৮টি আর্সেনিকমুক্ত পানির উৎস স্থাপন করা হচ্ছে। আশা করি, এর ফলে চলতি বছরেই আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের সংখ্যা ৫ থেকে ৬ শতাংশে নেবে আসবে।
তিনি জানান, এ পর্যন্ত ৬ লাখ ১৫ হাজার ৪৯৭টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে উপকূলীয় জেলাসমূহে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৮৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।
এছাড়া পানি সরবরাহে আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পে (সমাপ্ত) এ পর্যন্ত ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৬টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি পল্লী অঞ্চলে পানি সরবরাহ প্রকল্পে (সমাপ্ত) এ পর্যন্ত ৮৮ হাজার ২৩৫টি এবং অগ্রাধিকার মূলক গ্রামীণ পানি সরবরাহ প্রকল্পে (সমাপ্ত) ১ হাজার ৩৮ হাজার ৫৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে বলে জানান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী