কুলাউড়ায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত এক মাহফিলে কুলাউড়া আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. শওকতুল ইসলাম শকুকে বক্তব্য রাখার সুযোগ না দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। গতরাত থেকে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত এমপি সমর্থক ও নেটিজেনদের অনেকে এ ঘটনায় ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ড. এনায়েত আব্বাসীর উপস্থিতিতে আয়োজিত ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিলে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. শওকতুল ইসলাম শকু উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে তিনি বক্তব্য রাখবেন—এমন প্রত্যাশা ছিল উপস্থিত অনেকের। তবে শেষ পর্যন্ত তাকে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মন্তব্য ও পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এমপি শওকতুল ইসলামের সমর্থকরা। তাদের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার পরও কেন তাকে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হলো না।
তবে পুরো ঘটনাকে ঘিরে এমপি শওকতুল ইসলামের আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসাও দেখা যাচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না পেলেও তিনি কোনো ধরনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে হাসিমুখে ড. এনায়েত আব্বাসির কাছ থেকে বিদায় নেন।সমর্থকদের অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করছেন, এমপির এই আচরণ তার রাজনৈতিক সৌজন্য, ধৈর্য ও সংযমের পরিচয় বহন করে। অন্যদিকে আয়োজকদের সিদ্ধান্ত নিয়ে কেউ কেউ অসন্তোষ প্রকাশ করে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্য ব্যাখ্যার দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনাটি নিয়ে কুলাউড়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনেও আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্যকে কোনো ধর্মীয় বা সামাজিক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হলে তার প্রতি যথাযথ সৌজন্য প্রদর্শন করা উচিত ছিল আয়োজকদের। কিন্তু সেখানে তা করা হয়নি।