• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যুদণ্ড শিশুদের পছন্দের কেক, কাজী ফার্মসের মাফিন স্বাস্থ্যের জন্য ভয়ানক ইসিকে ‘কমেডি সেন্টার’ নয়, আস্থার কেন্দ্র হিসেবে চায় জনগণ: নাসীরুদ্দীন বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আসিফ নজরুলের ছিল: তদন্ত কমিটি বহু ত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্র পেয়েছি, এটি রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ: রাষ্ট্রপতি দুর্নীতি-দলীয়করণ বন্ধে সরকারের সদিচ্ছা দরকার: মামুনুল হক রাষ্ট্রপতির আগমনে ২০ বছর পর সচল হলো সুরমা পাড়ের ফোয়ারা দেশে ফিরলেন লিবিয়ায় বন্দি ১৬৮ বাংলাদেশি সিলেটে এসে দুই ওলির মাজার জিয়ারত করলেন রাষ্ট্রপতি সিলেটে রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা বর্জন মহানগর বিএনপির সিলেটে রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎবিভ্রাট কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটিতে যুক্ত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা, হবে সাত ধাপে সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে মেধাবীদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের চোরের মায়ের বড় গলা, ‘দুর্নীতির বরপুত্র’ আসিফের অবস্থাও সেরকম: রাশেদ খান রাষ্ট্রপতির সফর নির্বিঘ্ন করতে সিলেটে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্তের অভিযোগ, রাজমিস্ত্রি যুবককে পুলিশে সোপর্দ ডাকসু সংগ্রহশালা থেকে পাকিস্তানের নেতা জিন্নাহকে অপসারণের দাবি ঢাবি ছাত্রদলের আম্বরখানায় নাগরী লিপিতে সাইনবোর্ড, ফিরছে সিলেটের হারানো ঐতিহ্য হাকালুকি হাওরে মিলছে রুপালি ইলিশ

ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name / ৪ Time View
Update : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

5

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলটির ৭ নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান।
এছাড়াও এই মামলায় আসামি হিসেবে রয়েছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। এই মামলার সব আসামিই পলাতক।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীসহ তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করেছে।
এর আগে, গত বছরের নভেম্বরে দলটির সভাপতি ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল।
রায়ের পর এক সংবাদ সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আনা চারটি করে অভিযোগ নিঃসন্দেহে প্রমাণিত হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল তাদের প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে এবং অভিযোগভেদে আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায়ও দেওয়া হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল রায়ে বলেছে-আসামি ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ এবং মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির অর্ধেক (৫০ শতাংশ) বাজেয়াপ্ত করা হলো এবং উক্ত সম্পত্তি বিক্রয়লব্ধ অর্থ হইতে জুলাই বা অগাস্ট ২০২৪ সময়কালে নিহত ও আহত সকল ব্যক্তি বা তাদের পরিবারবর্গকে জুলাই ফাউন্ডেশন বা অন্য কোনো বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হলো।

রায়ে যা বলেছেন ট্রাইব্যুনাল :
এই রায়ের একটি ইতিবাচক দিক আছে উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, রোম স্ট্যাটিউটে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত সম্পদ বাজেয়াপ্তের বিধান আছে।
তারই ধারাবাহিকতায় আজকের রায়ে, ৫ আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ৫০ শতাংশ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হবে। এই ৫০ শতাংশ এটাও সুনির্দিষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছে, জুলাই ফাউন্ডেশন অথবা বিধিবদ্ধ কোনো সংস্থা দ্বারা সেটা বিক্রয় করে বিক্রয়লব্ধ অর্থ বিলি-বন্টনের ব্যবস্থা করা হবে।
এর ফলে এখন আসামিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা, সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া ও বিক্রয়ের ব্যবস্থা এবং আহত-নিহতদের পরিবারের মধ্যে বিলি-বন্টনের ব্যবস্থা করতে আর কোনো সমস্যা হবে না বলে মনে করেন চিফ প্রসিকিউটর।
আসামিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত বাস্তবায়নের বিষয়ে এক প্রশ্নে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই রায় বাস্তবায়ন করবে সরকার এবং তাদের কার কোথায় কী সম্পদ আছে রাষ্ট্র বা সরকার সেটা খুঁজে বের করবে এবং সে অনুযায়ী তাদের যে সম্পদ পাওয়া যাবে তার অর্ধেক বাজেয়াপ্ত হবে।
আইনানুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের এই রায় প্রকাশিত হওয়ার পরে ৩০ দিন পর্যন্ত আসামিদের আপিল করার সুযোগ থাকে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ৩০ দিন পর্যন্ত কোনো সম্পদ বাজেয়াপ্ত বা অন্য কোনো ব্যবস্থায় যাওয়ার হয়তো সুযোগ নাই। কিন্তু ৩০ দিন পর থেকে বাংলাদেশ সরকারের এই রায় বাস্তবায়ন করতে কোনো বাধা নেই।
আসামিরা পলাতক অবস্থায় কোনো বক্তব্য দিলে সেটি গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন চিফ প্রসিকিউটর।
একইসঙ্গে, এই মামলায় পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীও নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

গণঅভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের পাঁচই অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এরপর পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হয়।

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় দেওয়া সপ্তম মামলায় রায় এটি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd