• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:০৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বাবা-মায়ের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ আন্তর্জতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন রোনালদো ইরানে ৯ নভেম্বর রাতে হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ২৬৮ রানে পিছিয়ে থেকে সিলেটের দ্বিতীয় দিন শেষ বাংলাদেশের অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী, দেখতে গেলেন বাণিজ্যমন্ত্রী পরীক্ষা মিস করে সিলেট টেস্ট দেখতে গ্যালারিতে ভক্তরা শামসুন্নাহার যেভাবে হয়ে উঠলেন পরীমণি আজকের শিশু-কিশোররাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী মালেয়শিয়া বাংলাদেশ থেকে কর্মী যাবে ডিসেম্বরে: শ্রমমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট ১২৭২ টিলাগড় থেকে ২০ লাখ টাকার ভারতীয় কম্বলসহ কাভার্ডভ্যান জব্দ, আটক ১ আমরা এখনও কাঙ্ক্ষিত শিক্ষার জায়গায় পৌঁছাতে পারিনি: বাহুবলে ববি হাজ্জাজ ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি সিলেটে ধারালো সুইস গিয়ার চাকুসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার সিলেট জেলা ও মহানগর জামায়াতের আমির পদে পুনর্নির্বাচিত হাবিব-ফখরুল ট্রিপল মার্ডার: মানিকগঞ্জে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন ৮ প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানকে ‘হাদিস’ আখ্যা দিয়ে পদ হারালেন সচিব সিলেটসহ সারাদেশের জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

Reporter Name / ২৬ Time View
Update : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

50

আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। পাল্টে যায় রাষ্ট্রক্ষমতার সমীকরণ, নতুন মোড় নেয় দেশের রাজনীতি।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে সেনাবাহিনীর তৎকালীন প্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন। পরবর্তী সময়ে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে একের পর এক অভ্যুত্থান ও পাল্টা অভ্যুত্থানের মধ্যেও তিনি দেশ স্থিতিশীলতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন।

ইতিহাসের বিবরণ অনুযায়ী, ওই বছরের ১৫ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এর ধারাবাহিকতায় ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়। এসব ঘটনার পর সেনাবাহিনীর তৎকালীন উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফ তার অনুসারী সেনাসদস্যদের নিয়ে অভ্যুত্থান ঘটান। এ সময় সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি করা হয়।
পরে নিজেকে সেনাপ্রধান ঘোষণা করেন খালেদ মোশাররফ। ৬ নভেম্বর বঙ্গভবনে গিয়ে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমদকে গ্রেফতার, মন্ত্রিসভা বাতিল এবং জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। একই সঙ্গে প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। ওই রাতেই সেনাবাহিনীর সাধারণ সিপাহিরা সংগঠিত হয়ে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

এ ঘটনায় সিপাহিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সাধারণ মানুষও রাজপথে নেমে আসেন। সিপাহি ও জনতার সম্মিলিত অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন জিয়াউর রহমান। পাল্টা অভ্যুত্থান প্রতিরোধ করতে গিয়ে ৭ নভেম্বর সকালে কয়েকজন সহযোগীসহ নিহত হন খালেদ মোশাররফ। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হয়। রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রে চলে আসেন জিয়াউর রহমান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd