• শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
নীতি-আদর্শে গুণান্বিত হলেই রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলামের পতাকা উড়বে দেশজুড়ে বৃষ্টির আভাস, আগামী ২ দিন ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা বিয়ে না করে চিরকুমার থাকা কি জায়েজ আপত্তি পেরিয়ে সোনাই নদীতে নৌকাবাইচ নভেম্বরে তুরস্ক সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী বিএনপি-জমিয়ত সম্পর্কে বাড়ছে দূরত্ব পটুয়াখালীতে যুবদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ভারত সিরিজ অনিশ্চিত, আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে ৪৬৯, পর্যটকসহ এখনও নিখোঁজ অনেক সিলেটে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, অংশ নিবেন যে সব গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে সিলেটে বাসচাপায় পিষ্ট অটোরিকশা ও বাইক ২০৩০ সালের অর্থনৈতিক দৌড়ে শীর্ষে থাকবে বাংলাদেশ সিলেটে হাম উপসর্গে একদিনে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু জেলা কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির জন‍্য পাঁচ লাখ টাকা দাবি,এনসিপির ৫ নেতা গ্রেফতার হবিগঞ্জের দায়িত্বে মুক্তাদির, মৌলভীবাজারে আরিফ, সিলেট ও সুনামগঞ্জে গউছ মদের বারে দুই বন্ধুর কথাকাটাকাটি: ছুরিকাঘাতে একজনের মৃত্যু, পিটুনিতে অপরজন পদ্মায় একসঙ্গে গোসলে নেমেছিল ৫ শিশু, ডুবে প্রাণ গেল সবারই ভুয়া পত্রিকা অফিসের আড়ালে নকল কনডম কারখানার সন্ধান থানা থেকে পালিয়ে গেল রিমান্ডে থাকা নারী আসামি সিলেট বিভাগে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে মুক্তাদির, আরিফ ও গৌছ

বিয়ে না করে চিরকুমার থাকা কি জায়েজ

Reporter Name / ৩ Time View
Update : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬

4

বিয়ে করা নবী-রাসুলদের সুন্নত। হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘বিয়ে আমার সুন্নত। যে আমার সুন্নত অনুযায়ী আমল করে না, সে আমার দলভুক্ত নয়। তোমরা বিয়ে করো। কারণ, আমি উম্মতের সংখ্যা নিয়ে হাশরের মাঠে গর্ব করব।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১৮৪৬)

যারা বিয়ের সামর্থ্য রাখেন, তাদেরকে সঠিক সময়ে বিয়ে করতে উৎসাহিত করেছেন হজরত মুহাম্মদ (সা.)। বিয়ের মাধ্যমে মানুষ তার দৃষ্টিকে সংযত করে। বিয়ে করে মানুষ যৌনাঙ্গের পবিত্রতা রক্ষার মাধ্যমে জান্নাতের পথ সুগম করতে সক্ষম হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘হে যুব সমাজ, তোমাদের মধ্যে যারা বিয়ের সামর্থ্য রাখে, তাদের বিয়ে করা কর্তব্য। কেননা বিয়ে দৃষ্টির নিয়ন্ত্রণকারী, যৌনাঙ্গের পবিত্রতাকারী।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫০৬৬)

ইসলামে বৈরাগ্যের (সন্ন্যাস বা স্বভাববিরোধী জীবনযাপন) সুযোগ নেই। সামর্থ্যবান ব্যক্তির জন্য বিয়ে করা সুন্নত। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কেউ যদি বিয়ে না করে এবং এ অবস্থায় তার গুনাহে লিপ্ত হওয়ার শঙ্কা থাকে, তার জন্য বিয়ে করা ওয়াজিব। বিয়ের সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও বিয়ে না করাকে তিরস্কার করা হয়েছে। বিয়ের পর যে স্ত্রীর অধিকার আদায় করতে পারবে না, তার জন্য বিয়ে করা ঠিক নয়। তবে কেউ যদি সারাজীবন বিয়ে না করে চরিত্রের হেফাজত করতে পারে, তাহলে বিয়ে না করলেও তার গুনাহ হবে না। সে বিয়ে না করে থাকতে পারবে।

মানুষের অধিকাংশ গুনাহ হয় দুটি কারণে। একটি হয় তার লজ্জাস্থানের চাহিদা পূরণের কারণে আর অন্যটি হয় পেটের চাহিদা পূরণের কারণে। বিয়ের কারণে মানুষ প্রথমটি থেকে হেফাজতের রাস্তা পেয়ে যায়। বিয়ের সামর্থ্য থাকলে বিয়ে করাই সওয়াবের কাজ। চিরকুমার থাকা উচিত নয়। গুনাহ জড়িয়ে পড়ার শঙ্কা না থাকলে বিয়ে না করা জায়েজ আছে। তবে বিয়ে করাই উত্তম।

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ ইউটিউবে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘সাধারণ ও স্বাভাবিক সময়ে বিয়ে করা সুন্নত। অর্থ্যাৎ বিয়ে না করলে ব্যক্তি পাপে লিপ্ত হবে না এবং তার বিয়ে করার সামর্থ্যও আছে। বিয়ের সামর্থ্য থাকা অবস্থায় বিয়ে না করলে যদি পাপে লিপ্ত হওয়ার শঙ্কা থাকে, পাপে জড়ানোর কঠিন পরিবেশ তৈরি হয়ে যায়, তার জন্য বিয়ে করা ওয়াজিব, ফরজ। তবে কারও যদি বিয়ের সামর্থ্য না থাকে এবং বিয়ে করলে বউয়ের অধিকার নষ্ট হবে, তার জন্য বিয়ে করা জায়েজ নেই—নিষেধ।’

ব্যক্তির অবস্থার ওপর নির্ভর করে বিয়ের বিধান আরোপিত হয় জানিয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘বিয়ে না করে শুধু ইবাদত-বন্দেগি করা জায়েজ আছে, তবে উত্তম নয়। উত্তম হলো বিয়ে করা। ইসলাম বৈরাগ্য বা বিয়ে না করার কথা বলে না। ইসলামে বৈরাগ্যবাদ নেই। কেউ যদি সারাজীবন বিয়ে না করে চরিত্রের হেফাজত করতে পারে, তাহলে বিয়ে না করলেও তার গুনাহ হবে না।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd