• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সিলেটে বেড়েছে মশার উপদ্রব, ফগার মেশিন হাতে মশক নিধনে সিসিক প্রশাসক সিলেটে ছাত্রলীগের মিছিল প্রস্তুতি, আ ট ক ২ আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নেই মুশফিক রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবর আজ, লগি-বৈঠার তাণ্ডবে নিহত হন ১৩ জন ফায়ার সার্ভিসকে বিশ্বমানের করতে হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী বড়লেখায় মাত্র ৯০ টাকার জন্য প্রাণ গেল দর্জির প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে প্রেসক্লাব বিলুপ্ত করা যাবে না নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের আমন্ত্রণে নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি জামিন মেলেনি আখতারুজ্জামানের সিলেটে তরুণ-তরুণীর ছবি ছড়িয়ে ধর্মীয় পরিচয়ে হেনস্তা, মেহমান রেস্টুরেন্টের দুই কর্মী গ্রেপ্তার সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ ট্রাকচালক হোসেন হত্যায় হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিচার শুরু শাদাবের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের অবিশ্বাস্য জয়, শেষ জুটিতে রেকর্ড এশিয়ার সেরা ২০ সমুদ্রসৈকতের তালিকায় কক্সবাজার কি আছে শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে আরও মিললো ৮৯ লাখ টাকা, মিলেছে বিদেশি মুদ্রা-স্বর্ণ-রুপা জুড়ী-বড়লেখা সীমান্তে তিন দিনে ৩০ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা, প্রতিহত করলো বিজিবি বাংলাদেশ সাফ দলে দুই নতুন মুখ রোনান ও মাহি

সিলেটের কনু মিয়া ৩০ বছর ধরে জেলে কেন?

Reporter Name / ২৫৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫

201

হত্যা মামলায় বিচার হয়নি, হয়নি সাজাও। কেবল একটি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে মানসিক রোগী কনু মিয়া কারাগারে কাটিয়ে দিয়েছেন টানা ৩০ বছর দুই মাস ১৯ দিন। অবশেষে সরকারি আইনি সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) হস্তক্ষেপে মুক্তি পাচ্ছেন তিনি।

বৃহত্তর সিলেটের হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার সিংহগ্রাম গ্রামের মৃত চিনি মিয়ার ছেলে কনু মিয়া ১৯৯৫ সালের ২৫ মে ঘুমন্ত অবস্থায় কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন তার মা মেজেষ্টর বিবিকে। মানসিক ভারসাম্যহীন কনু মিয়াকে গ্রেপ্তারের পর পরদিন আদালতে মাত্র তিন লাইনের একটি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। এরপর শুরু হয় তার দীর্ঘ বন্দিজীবন।

তবে মানসিক রোগে আক্রান্ত হওয়ায় হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত ছিল। এতে বছরের পর বছর আটকে থাকেন তিনি, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। অনেকে ধরে নিয়েছিলেন, কনু মিয়া আর বেঁচে নেই।

সাম্প্রতিক সময়ে বিষয়টি নজরে আনেন হবিগঞ্জ জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার সিনিয়র সহকারী জজ মুহম্মাদ আব্বাছ উদ্দিন।   তিনি মামলার বাদী মনু মিয়া ও তার ভাই নাসু মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের সহযোগিতায় কনু মিয়ার জামিনের উদ্যোগ নেন।

গত ১৪ জুলাই হবিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে লিগ্যাল এইডের প্যানেলভুক্ত আইনজীবী অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ জামিন আবেদন করলে বিচারক জেসমিন আরা বেগম সেটি মঞ্জুর করেন। এর মধ্যদিয়ে দীর্ঘ তিন দশক পর মুক্তি পাচ্ছেন কনু মিয়া।

এ উদ্যোগের জন্য লিগ্যাল এইড অফিসার ও সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল হাই।  তিনি বলেন, কনু মিয়া শিগগিরই হবিগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd