• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
গাজায় ২০২৩ সালের পর এতিম হয়েছে ৬০ হাজারেরও বেশি শিশু পুলিশও হবেন, দলীয় এজেন্ডাও বাস্তবায়ন করবেন—এটা হতে পারে না, বললেন হাসনাত হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা মিরাজ বাদ, সাদা বলের দুই ফরম্যাটের অধিনায়ক লিটন ওসমানীনগরে এনসিপির পদযাত্রা ঘিরে শঙ্কা, রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে টানা ৫ দিন ভারি বর্ষণ হতে পারে হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৩ শিশুর মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে অভিবাসন প্রক্রিয়া টেকসইয়ে গুরুত্বারোপ ছাত্রদল-এনসিপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি ইউএনওকে সংবর্ধনা দিলেন জামায়াত এমপি এখনো পুড়ছে সিলেট, যেমন থাকবে বুধবারের আবহাওয়া হাসপাতালে নেয়ার সময়ও হামলাকারীরা থামেনি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কাটছে না মোদির ‘তেলাপোকা’ ভয়! টানা চার দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর আসি আসি বলে শেখ হাসিনার আর আসা হবে না: হাসনাত আব্দুল্লাহ লাইসেন্স ফিরে পেলো আদ্-দ্বীন হাসপাতাল সিলেটে ফুটবল ম্যাচ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে রাজনৈতিক অপপ্রচার চলছে: এমপি নাছির চৌধুরী কক্ষে ডেকে নিয়ে শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ, আটক মাদ্রাসা শিক্ষক সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৩ ডেঙ্গু রোগী

শহীদ জিয়ার স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্যোগ

Reporter Name / ২১৬ Time View
Update : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

301

স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রামে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর (তৎকালীন চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস), কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র (স্বাধীনতা ঘোষণার স্থান), জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলসহ বিভিন্ন স্থান সংরক্ষণে বিশেষ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী। 

মন্ত্রী জানান, ‘ঐতিহাসিকভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধে যার যে ভূমিকা সেটা আমরা তুলে ধরতে চাই। সঠিক ও সত্য ইতিহাস মুছে ফেলে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করতে পরীক্ষার খাতায় ৯৮ শতাংশ পাস করাতে হবে- জাতি ধ্বংস করার এই পরিকল্পনা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সেই তাগিদ অনুভব করেই সরকার গঠিত হওয়ার পর থেকেই সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় অর্পিত কাজ শুরু করে দিয়েছে।’ সম্প্রতি চট্টগ্রামে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন বলে জানান তিনি।

সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সমাজে ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম, বর্ণ, ভিন্ন আদর্শ ও রাজনৈতিক মতাদর্শ-চিন্তার লোক থাকলেও বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্য খুঁজে আনতে চাই। গরিব ও মেহনতি মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মূল লক্ষ্য। শুধু তাই নয়, বর্তমান সরকার মহান মুক্তিযুদ্ধকেও সর্বজনীন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ ইতিহাসে যার যতটুকু অবদান ও মর্যাদা, তাকে ততটুকু সম্মান ও মর্যাদার জায়গায় রেখেই সামনে অগ্রসর হতে চায় সরকার। উদ্দেশ্য প্রত্যেকের অবস্থানগত মর্যাদা ও মূল্যায়ন নিশ্চিত করা; যেন কাউকে খাটো না হতে হয়। যদিও ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ইতিহাসকে ম্লান করে দিয়ে এক ব্যক্তি ও পারিবারিক ইতিহাস তৈরি করার চেষ্টা করেছে। মুক্তিযুদ্ধকে দলীয়করণ করেছিল তারা। অথচ এটাকে সর্বজনীন করা উচিত ছিল। এমনকি বিগত ১৫ বছর দেশের মানুষকে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার অধিকার থেকেও বঞ্চিত করে রাখা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কাজ শুরু করেছি। আমি যেমন চট্টগ্রাম গেলাম; যেখানে জিয়াউর রহমানের স্মৃতি জাদুঘর রয়েছে। জিয়াউর রহমানের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দিকটা প্রথম ভেসে উঠল। সেটা হলো, তার বিদ্রোহ করা ও স্বাধীনতার ঘোষণা। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র। এগুলো সংরক্ষণের দাবি রাখে। জিয়াউর রহমানের সমাধি প্রাঙ্গণে একটি কার্যকর লাইব্রেরি করার প্রস্তুতি রয়েছে। কেননা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, দেশের উন্নয়ন, নানামুখী নবজাগরণ সৃষ্টিতে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। তার জীবন অবসান হলো চট্টগ্রামে সার্কিট হাউসে। এখন সেটা স্মৃতি জাদুঘর। এগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। এরই মধ্যে চট্টগ্রামে জাদুঘরের কাজ চলছে। পাশে একটি শিশুপার্ক করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এটি আগে সেনাবাহিনীর দখলে ছিল। এখন সিটি করপোরেশনের অধীনে রেখে কাজ সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১৯৯৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে ‘জিয়া স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করেন। পরে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে জিয়াউর রহমানের সব অবদান মুছে ফেলতে চেষ্টা করেছে। অথচ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ সন্ধিক্ষণে শেখ মুজিবের অবস্থান; জিয়াউর রহমানের অবস্থান কী? দেশের মানুষ যখন দিশাহারা তখন দেশ ও জাতি রক্ষায় নেতৃত্ব কাঁধে তুলে নেন তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান।’

নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে যে ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, সেটি সরিয়ে জিয়া স্মৃতি জাদুঘরে নিয়ে আসা হয়েছে। কারণ যেখান থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন সেই স্থানের ঐতিহাসিক গুরুত্ব আছে। এ ছাড়া আগামী দিনের তরুণ প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে। এই জাদুঘর এবং সংলগ্ন এলাকাটিকে ল্যান্ডস্কেপ করে সুন্দরভাবে সাজানোর পরিকল্পনা রয়েছে। কাউকে ছোট করে নয়, বরং তরুণ প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd