ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। একাধিক গোয়েন্দা মূল্যায়নের বরাত দিয়ে বলা হচ্ছে, তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন এবং রাষ্ট্র পরিচালনার কাজে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারছেন না। ফলে যুদ্ধের মধ্যেই ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা। তিনি যদি কার্যত সিদ্ধান্ত নিতে অক্ষম হয়ে থাকেন, তাহলে ইরানের নিয়ন্ত্রণ এখন কার হাতে— সেই প্রশ্নও সামনে আসছে।
যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথমবারের মতো খামেনির অবস্থান প্রকাশ্যে এসেছে। এর আগে ধারণা করা হচ্ছিল, ২৮ ফেব্রুয়ারির প্রথম দফার হামলায় তিনি আহত হন। নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, একই হামলায় নিহত হওয়া তার বাবা এবং সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির দাফনের প্রস্তুতিও কোমে নেয়া হচ্ছে।
এদিকে টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গোয়েন্দা মূল্যায়নের ভিত্তিতে তৈরি কূটনৈতিক নথি অনুযায়ী ৫৬ বছর বয়সী এই ধর্মীয় নেতা গুরুতর অসুস্থ এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় কোনও ভূমিকা রাখতে পারছেন না। প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরেই গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তার অবস্থান জানলেও এবারই প্রথম তা প্রকাশ্যে এসেছে।
ইরান স্বীকার করেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি আলি খামেনির ওপর হওয়া হামলায় মোজতবা খামেনিও আহত হন এবং ওই হামলায় তার পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য নিহত হন। তবে দেশটির কর্মকর্তারা দাবি করে আসছেন, তিনি এখনও দেশটি নিয়ন্ত্রণ করছেন। যদিও যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তাকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি।