• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রাসুল (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণে সোনার মানুষ হতে হবে-বড়লেখায় মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার ব্রাজিল ম্যাচ আয়োজনে কত টাকা লাগবে বাংলাদেশি কৃষকদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, অস্ত্র-ওয়াকিটকি ফেলে পালাল বিএসএফ এনসিপি কার্যালয়ে জামায়াত আমির দুই দিনে কলকাতার ২ শতাধিক হোটেল বন্ধ, ভোগান্তিতে বাংলাদেশি পর্যটকরা এক মাস পেছাল স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিষিদ্ধ তবু সিলেটের মহাসড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ত্রি-হুইলার, বাড়ছে দুর্ঘটনা আনুষ্ঠানিভাবে যাত্রা শুরু করল সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ মহানবীর (সা) আদর্শ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা গ্রেপ্তার সিমেবির ৬ কর্মকর্তা-কর্মচারী কারাগারে ভুয়া তথ্য দিয়ে জার্নাল প্রকাশ করেও হলেন শাবি প্রো-ভিসি মিলাদুন্নবী ও উম্মতের করণীয় সরকারের ব্যর্থতায় প্রতিদিন ১০ জনের বেশি খুন হচ্ছে: ইসলামী আন্দোলন প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকারকে সহযোগিতা করছি, কিন্তু এভাবে কতদিন, সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে ডা. শফিকুর রহমান মক্কায় ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের হোটেল কেনার হিড়িক পড়েছে: আসিফ মাহমুদ জানা গেল বাংলাদেশ-ব্রাজিল ম্যাচের সম্ভাব্য তারিখ মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী সিলেট মহানগর জামায়াতের উলামা বিভাগের গণসংযোগ প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে গিয়ে সাড়ে ৩ বছরের মেয়েকে খুন, বাবার মৃত্যুদণ্ড

আল্লাহ মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে এনেছেন, ইচ্ছে করে সিজদা থেকে মাথা না তুলি: বাবর

Reporter Name / ৮০ Time View
Update : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

107

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান লুৎফুজ্জামান বাবরকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুজাহিদের ছেলে আলী আহমাদ মাবরুর।

স্ট্যাটাসে তিনি বিএনপির সংসদ সদস্য বাবরের নামাজ, সিজদা নিয়ে মুগ্ধতার কথা তুলে ধরেন এবং তাদের অতীত স্মৃতি রোমন্থন করেন। সেখানে নামাজ প্রসঙ্গ তুলতেই সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘যদি পারতাম সারা দিন সিজদা দিয়ে থাকতাম। আমার তো ইচ্ছে করে সিজদা থেকে মাথা না তুলি। আমার আল্লাহ আমাকে কোথা থেকে কোথায় নিয়ে এসেছেন। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে এনেছেন। অপমানের জীবন থেকে আজকের জায়গায় এনেছেন। ১৭ বছর কারাগার আর কনডেম সেলের জীবন থেকে আবার সংসদে এনেছেন। আমি যদি সারাদিন সিজদা দিয়ে থাকি, তাহলেও তো আল্লাহর শুকরিয়ার কিছুই আদায় করা হবে না।’

এ-সংক্রান্ত ফেসবুক স্ট্যাটাসে আলী আহমাদ মাবরুর বলেন, ‘সংসদের গত অধিবেশন চলাকালীন একটি স্মৃতি। সংসদ ভবনের মসজিদে মাগরিবের নামাজ আদায় করতে গিয়েছি। ফরজ ও সুন্নাত পড়ে আর সবার মতো আমিও বের হচ্ছিলাম। হঠাৎ চোখে পড়ল একজন মানুষ সিজদা দিয়ে রয়েছেন। ২-৩ মিনিট তো হবেই। তিনি নফল পড়ছেন আর টানা সিজদা দিচ্ছেন। তাকিয়ে দেখি সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর সাহেব। আমি দাঁড়িয়ে থাকলাম। ওনাকে ওখানে পাব, এমন কোনো ধারণা ছিল না। তাই কথা বলার প্ল্যানও ছিল না। কিন্তু এভাবে কয়েক মিনিট ধরে সিজদা দেওয়ার দৃশ্য দেখে হুট করেই কথা বলার সিদ্ধান্ত নিলাম। বারবার সালাম ফিরিয়ে তিনি আবার নামাজে দাঁড়িয়ে যাচ্ছিলেন। তাই যখন বুঝলাম, নামাজ শেষ করেছেন, তখন আস্তে গিয়ে পাশে বসলাম। বললাম, একটু কথা বলতে চাই। তিনি বললেন, “বলেন না, কী বলবেন।”

ফেসবুক পোস্টে মাবরুর বলেন, ‘‘আমি বললাম, আমি আপনাকে (বাবর) বহুদিন ধরে দেখেছি কোর্টে আনা-নেওয়া করতে। আপনার কি আমার চেহারা মনে পড়ে? তিনি বললেন, চেনা তো মনে হয়। তখন আমি আব্বার কথা বললাম। জানালাম, আপনি ও আব্বা দুজনেই ২১ আগস্ট মামলার কো-একিউজড ছিলেন। আমি সারা দিন কোর্টের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতাম, আদালত যেদিন অনুমতি দিত, সেদিন ভেতরে গিয়ে সাক্ষাৎ করতাম। কতবার সাক্ষাৎ হয়েছে আপনার সঙ্গে। সবাই মিলে খাবার শেয়ার করেছি। তিনি বসা অবস্থাতেই আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। তুমি মুজাহিদ সাহেবের ছেলে। তোমরা কেমন আছো? আমি তোমার বাবার খুব ক্লোজ ছিলাম..এভাবে অনেক কথা বললেন। ইমোশনাল হয়ে গেলেন রীতিমতো।’’

সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবরকে দীর্ঘ (লম্বা) সিজদা নিয়েও জিজ্ঞেস করেছেন উল্লেখ করে মাবরুর বলেন, তিনি (বাবর) বললেন, আংকেল, যদি পারতাম সারা দিন সিজদা দিয়ে থাকতাম। আমার তো ইচ্ছে করে সিজদা থেকে মাথা না তুলি। আমার আল্লাহ আমাকে কোথা থেকে কোথায় নিয়ে এসেছেন। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে এনেছেন। অপমানের জীবন থেকে আজকের জায়গায় এনেছেন। ১৭ বছর কারাগার আর কনডেম সেলের জীবন থেকে আবার সংসদে এনেছেন। আমি যদি সারাদিন সিজদা দিয়ে থাকি, তাহলেও তো আল্লাহর শুকরিয়ার কিছুই আদায় করা হবে না।

বিষয়টি নিজের মন ছুঁয়ে গিয়েছে জানিয়ে আলী মাবরুর বলেন, তবে সেদিন তার সিজদা দেখে, তার শুকরিয়া আদায়ের ভঙ্গিমা দেখে এবং তার বিনয় দেখে ভালো লাগল। আল্লাহ আরও অনেককেই অনেক খারাপ অবস্থা থেকে ভালো অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। তবে সবাই এভাবে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে পারে না। অনেকে এরই মধ্যে অতীত ভুলেও গিয়েছেন।

আলী মাবরুর আরও লিখেন, মসজিদ থেকে বেরিয়ে অনেকেই দেখলাম তার সঙ্গে ছবি তুলছে। আমার এসব জায়গায় বরাবরই আড়ষ্টতা কাজ করে। কিন্তু সেদিন যেন কী হলো। নিজেই বললাম, আপনার সঙ্গে একটি স্মৃতি ধরে রাখি। তিনি বললেন, আমার আংকেলের সঙ্গে তো আমিই ছবি তুলব। মজলুম পরিবার তোমরা। ভালো থেকো। তার শেষ কথা আর দোয়া নিয়ে এরপর চলে আসলাম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd