বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কবলে পড়েছে সিলেটে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাগরিক সংবর্ধনাস্থল। মঙ্গলবার দুপুর পৌনে তিনটার দিকে নগর ভবনের সংর্বধনাস্থলে ১০ থেকে ১৫ মিনিট বিদ্যুৎ ছিল না। তবে তখনও রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছাননি।
আজ বিকেলে সিলেট নগরভবনে রাষ্ট্রপতিকে নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান করবে সিলেট সিটি করপোরেশন। দুপুর ২ টা থেকেই আমন্ত্রিত অতিথিরা সংবর্ধনাস্থলে এসে হাজির হতে শুরু করেন। নগরের নানা শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিত্বশীল ব্যক্তিবর্গ ও রাজনৈতিক নেতারা নগরভবনে হাজির হয়েছেন।
বেলা পৌনে ৩ টার কিছু আগে হঠাৎ নগর ভবনের বিদ্যুৎ চলে যায়। অন্ধকার হয়ে পড়ে মঞ্চ। প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট ওই এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। পরে বিদ্যুৎ আসে।
তবে এটি কোন লোডশেডিং ছিল না বলে জানিয়ছেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইমাম হোসেন। তিনি সিলেটটুডেকে বলেন, রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানে লোডশেডিং করার তো প্রশ্নই আসে না। এটি অন্য কোন গলযোগের কারণে হতে পারে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি আসায় আজ সিলেটে কোন লোডশেডিং নেই। তবে লো ভোল্টেজের কিছু সমস্যা আছে। সেটিও আমরা ঢাকার সাথে কথা বলে সমাধান করেছি।
এরআগে সকালে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে বেলা সাড়ে এগারোটায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এরপর হজরত শাহজালাল (রঃ) ও হজরত শাহ পরান (রঃ) এর মাজার জিয়ারত করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর এটাই তাঁর প্রথম সিলেট সফর। রাষ্ট্রপতির সহধর্মিনী রাহাত আরা বেগম এ সফরে তাঁর সাথে আছেন।
সার্কিট হাউজে স্বল্প বিরতির পর দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে নগরের দরগাগেট এলাকায় সুফিসাধক হজরত শাহজালাল (রঃ) -এর মাজার জিয়ারত করেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এখানে তিনি দেশ ও জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত করেন।
হজরত শাহজালাল (রঃ) -এর মাজার জিয়ারত শেষে রাষ্ট্রপতি সরাসরি রওনা দেন সিলেটের খাদিম নগরে হজরত শাহ পরাণ (রঃ)-এর মাজারের উদ্দেশে। সেখানে রাষ্ট্রপতি হজরত শাহ পরাণ (রঃ)-এর মাজার জিয়ারত করেন এবং যোহরের নামাজ আদায় করেন।