• শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:২১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার -এমপি লুনা কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী ব্রাজিলকে চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত মরক্কো আয় ব্যয়ের মধ্যে কোনো সচ্ছতাও নেই,ওদের কাছে কোনো হিসাব নেই সাবেক এমপি অধ্যক্ষ ফরিদ চৌধুরীর ইন্তেকাল কানাইঘাটে জানাযা আজ বিকেল ৪টায় কুলাউড়ায় বিএসএফের গু লি তে বাংলাদেশি নি হ ত হযরত শাহজালাল ও শাহপরাণ (রহ.) মাজারের দানবাক্সে তালা সিলেটে পুলিশের ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ ক্রিকেটার নাঈমকে ডিবি পরিচয়ে মারধর, থানায় নিয়ে হেনস্তা পয়েন্ট ভাগাভাগিতে শেষ কানাডা-বসনিয়া লড়াই নতুন পে স্কেলে বেতন বাড়বে দ্বিগুণ থেকে আড়াইগুণ, অনুপাত ১:৯ ইতিহাস গড়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় সিউক এর নতুন চেয়ারম্যান কয়েস লোদী বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন জেনিফার? তিন লাল কার্ডের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে মেক্সিকোর শুভসূচনা এবারের বাজেট বাস্তবতা বিবর্জিত, উচ্চাভিলাষী ও ঋণনির্ভর: নাহিদ দেশে স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন দুধ দিয়ে গোসল সেরে ব্রাজিলে যোগ দিলেন আর্জেন্টিনা সমর্থক সীমিত সম্পদের মধ্যে দেশের সবাইকে স্বস্তি দিতে এ বাজেট: অর্থমন্ত্রী ফিফা বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ

হামে আক্রান্তের সংখ্যা কবে কমবে, জানালেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা

Reporter Name / ৭৬ Time View
Update : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

144

দেশজুড়ে বাড়ছে হামের প্রাদুর্ভাব। প্রতিদিনই আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। গত ৯ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে ১০ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত (২৪ ঘণ্টা) হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ১৭৭ শিশু। আর হাম শনাক্ত হয়েছে ১৬৮ জনের।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ১৪৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর হামে মারা গেছে ২৩ শিশু। হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ২ হাজার ৪০৯। আর সন্দেহজনক হাম নিয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৯১০। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়া পাওয়া রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ৬০৯ শিশু।

 

এদিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় নানা উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ৫ এপ্রিল থেকে দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় শুরু হয়েছে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি।

১২ এপ্রিল ঢাকার দুই সিটি, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এবং ২০ এপ্রিল সারা দেশে একযোগে শুরু হবে টিকা কার্যক্রম।
 
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, আগে হামের টিকা নেয়া থাকলেও ৬ মাস থেকে ৫৯ মাসের সব শিশুদের হামের টিকা দিতে পারবে। তবে যাদের জ্বর কিংবা হাসপাতালে ভর্তি, তাদের অসুস্থ অবস্থায় টিকা নেয়া যাবে না।
 
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টিকা কার্যক্রম সফল হলে কমতে পারে হামের প্রাদুর্ভাব। মানব শরীরে টিকার প্রতিক্রিয়া শুরু হতে সময় লাগে ১৫ দিন থেকে এক মাস। সে হিসাবে টিকা কার্যক্রম সফল হলে আক্রান্তের সংখ্যা কমতে সময় লাগতে পারে এক মাস।
 
চলমান জরুরি ক্যাম্পেইনে টিকা নেয়া শিশুদের চলতি বছর জুনে আবার বুস্টার ডোজ নেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
 
 
শিশু সংক্রমত রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মীর্জা মো. জিয়াউল ইসলাম বলেন, ‘যখন টিকা দেয়া হচ্ছে, তখন একটি সেল এদিক-ওদিক করছে আর আরেকটি সেল মেমোরি হিসেবে স্টক থেকে গেল। সেই মেমোরি সেলটা দ্বিতীয় ডোজের সময় থেকে তার কাজ শুরু করে দেবে। সুতরাং একমাসের মধ্যে টিকার প্রতিক্রিয়া শুরু হয়ে যায়।’
 
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, ‘টিকার কারণে এক মাসের মধ্যে রোগীর সংখ্যা কমে আসবে। তবে মৃতের সংখ্যা কমতে আরও একমাস অপেক্ষা করতে হবে।’
 
তিনি আরও বলেন, ‘একটি টিকায় আংশিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। দুটি টিকা হলে সেটা শতভাগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন হবে। এখন যে জরুরি টিকা দেয়া হচ্ছে। জুন মাস থেকে গণটিকা দেয়া শুরু হবে। তখন প্রথম টিকা নেয়া শিুশুরাও দ্বিতীয় টিকা নিতে পারবে।’
 
চিকিৎসকরা বলছেন, হাসপাতালে ভর্তি বেশির ভাগ শিশুর সংক্রমণ ছড়িয়েছে আক্রান্তদের সংস্পর্শে এসে। আক্রান্ত হচ্ছে একই পরিবারের একাধিক শিশু। হাম অন্য যেকোনো সংক্রামক ব্যাধি থেকে দ্রুত ছড়ায়। ঘনবসতির কারণে রাজধানী ঢাকা সংক্রমণের উচ্চঝুঁকিতে রয়েছে। তাই হামের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে আক্রান্তদের পাড়া মহল্লা ভিত্তিক আইসোলেশনে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd