• বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালো বড়লেখা প্রেসক্লাব মহান বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি নিসচা বড়লেখা শাখার শ্রদ্ধা নিবেদন বড়লেখায় যুব বিভাগের উদ্যোগে বিজয় দিবস উদযাপন সব শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা জৈন্তাপুরে ছাত্র জমিয়তের উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য বিজয় র‍্যালি গাছবাড়ীতে জামায়াতে ইসলামির বিশাল বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও পথ সভা অনুষ্ঠিত মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কোম্পানীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের পুষ্পস্তবক অর্পণ দেশে ফিরে তারেক রহমান গণতন্ত্রের লড়াইকে আরও শক্তিশালী করবেন: মির্জা ফখরুল বুধবার নগরীর যেসব এলাকায় থাকবে না বিদ্যুৎ বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত গৌরবের বিজয় দিবস আজ জুতা পায়ে জানাজার নামাজ পড়া যাবে, কী বলে ইসলাম? বিজয়ের মাস উপলক্ষে ফ্রেন্ডস ব্লাড ডোনেশন সিলেটের বৃক্ষরোপণ বিভক্তি নয়, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতি ঐক্যবদ্ধ থাকবে সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে বিকেলে আদালতে তোলা হবে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কী, এতে যেসব সুবিধা থাকে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি তারেক রহমানের শ্রদ্ধা সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে এভারকেয়ার ছাড়লেন ওসমান হাদি সিলেট ২ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে চান জয়নুল ফুলকুঁড়ি আসরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সিলেটে শিশুকিশোর সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

আট বছর পর খুললো ইরাকের ঐতিহাসিক আল-নুরি মসজিদ

Reporter Name / ১১৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

আট বছর পর আবারও খুলে দেয়া হয়েছে পুনর্নির্মিত ইরাকের মসুলে ঐতিহাসিক আল-নুরি মসজিদ। মসজিদটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানি। ইউনেসকো ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় পুনর্নির্মিত এ স্থাপনা এখন নতুন করে ইরাকি পরিচয়ের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

২০১৪ সালে জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস মসুল দখল করলে আল-নুরি মসজিদ আর বিখ্যাত হাদবা মিনারকে গুঁড়িয়ে দেয়। ৮৫০ বছরের পুরানো এই মসজিদের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইরাক ও মসুলবাসীদের হাজারো স্মৃতি ও ইতিহাস।

 

পাঁচ বছর আগে শুরু হওয়া পুনর্নির্মাণ প্রকল্পে অর্থায়ন করে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ইউনেসকো আর ইরাকের প্রত্নতত্ত্ব কমিশনের যৌথ তত্ত্বাবধানে ধাপে ধাপে পুরনো গৌরব ফিরে পায় মসজিদটি। গত সোমবার ((৮ সেপ্টেম্বর) উদ্বোধনে হাজির হন প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শিয়া আল-সুদানি।

এর মধ্যদিয়ে ভেঙে পড়া ইতিহাস যেন আবারও জেগে উঠেছে ইরাকে। ১১৭২ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত এ মসজিদ যুগে যুগে মধ্যপ্রাচ্যের স্থাপত্য ঐতিহ্যের ধারক হয়ে এসেছে। আজ তা আবারও ইরাকের অতীত ও বর্তমানের সেতুবন্ধনে রূপ নিয়েছে।
 
মসুলের মানুষের কাছে আল-নুরি শুধু ধর্মীয় স্থাপনা নয়, বরং সাংস্কৃতিক ও সভ্যতার প্রতীক। পুননির্মিত হাদবা মিনারও তাদের কাছে প্রকৃত মুক্তির স্মারক। শহরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষায় এটিকে ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্তির প্রস্তুতিও চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd