• বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালো বড়লেখা প্রেসক্লাব মহান বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি নিসচা বড়লেখা শাখার শ্রদ্ধা নিবেদন বড়লেখায় যুব বিভাগের উদ্যোগে বিজয় দিবস উদযাপন সব শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা জৈন্তাপুরে ছাত্র জমিয়তের উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য বিজয় র‍্যালি গাছবাড়ীতে জামায়াতে ইসলামির বিশাল বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও পথ সভা অনুষ্ঠিত মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কোম্পানীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের পুষ্পস্তবক অর্পণ দেশে ফিরে তারেক রহমান গণতন্ত্রের লড়াইকে আরও শক্তিশালী করবেন: মির্জা ফখরুল বুধবার নগরীর যেসব এলাকায় থাকবে না বিদ্যুৎ বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত গৌরবের বিজয় দিবস আজ জুতা পায়ে জানাজার নামাজ পড়া যাবে, কী বলে ইসলাম? বিজয়ের মাস উপলক্ষে ফ্রেন্ডস ব্লাড ডোনেশন সিলেটের বৃক্ষরোপণ বিভক্তি নয়, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতি ঐক্যবদ্ধ থাকবে সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে বিকেলে আদালতে তোলা হবে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কী, এতে যেসব সুবিধা থাকে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি তারেক রহমানের শ্রদ্ধা সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে এভারকেয়ার ছাড়লেন ওসমান হাদি সিলেট ২ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে চান জয়নুল ফুলকুঁড়ি আসরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সিলেটে শিশুকিশোর সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

ওবায়দুল কাদেরের বয়ানে চাঞ্চল্যকর কিছু দিক!

Iqbal Mahmud (ইকবাল মাহমুদ) / ৩৪১ Time View
Update : সোমবার, ২৬ মে, ২০২৫

ভারতীয় মিডিয়ায় ওবায়দুল কাদেরের অডিও সাক্ষাৎকারটি শুনলাম। কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক ভাবনার খোরাক জোগায়।
এক- ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবের সময় হাতের কাছে পেয়েও বিপ্লবীরা তাকে আঘাত না করে নিরাপদ জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। কাদেরের নিজের মুখে এই বয়ানই প্রমাণ করে বিপ্লবটি কত অহিংস, মানবিক আর শান্তিপূর্ণ ছিলো।
হাসিনার পরেই সবচেয়ে বড় ফ্যাসিস্ট ছিলো ওবায়দুল কাদের। অনেকের মতো আমারও ধারনা ছিলো সেদিন কাদেরকে হাতের কাছে পেলে বিপ্লবীরা জ্যান্ত পুতে ফেলতো! কিন্তু বাস্তবতা হলো তারা তাকে একটি ফুলের টুকাও দেয়নি।
বরং ট্যাক্সিতে করে নিরাপদ জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। বিক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে রক্ষা করতে কাদের দম্পতিকে অসুস্থ চাচা-চাচী পরিচয় দিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে সরিয়ে নিয়েছে।
৫ আগস্ট বিপ্লবকে হাসিনা ও তার দোসররা যেসব হত্যা, লুটপাট ও নাশকতার কালিমা দিয়ে কলঙ্কিত করতে চায় ওবায়দুল কাদেরের এই নিরাপদে বেঁচে যাওয়ার ঘটনা তার অসারতা প্রমানের জন্য যথেষ্ট। তবে এই কুলাঙ্গার বেঁচে গিয়েও যে মানুষ হয়নি তা তার বক্তব্যজুড়ে প্রমাণ দিয়ে গেছে। সেই উত্তাল অগ্নি স্ফুলিঙ্গের সময় যারা তাকে নিরাপদে বাঁচিয়ে দিয়েছে তাদের প্রতি একটিবারও সে ধন্যবাদ বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেনি। বরং বিপ্লবটাকে সন্ত্রাস ও লুটপাটের কালিমায় কলঙ্কিত করে গেছে অবলীলায়।
দুই- ওবায়দুল কাদের বলেছেন তিনি বিপ্লবের পরেও ৩ মাস দেশে ছিলেন। এটি আরো ভয়ংকর। তিনি কোথায়, কার হেফাজতে ছিলেন? এটি বের করা দরকার। সিলেটের এক শিল্পপতির বাড়িতে তার অবস্থানের খবর কোন কোন মিডিয়ায় প্রচার হয়েছিলো।
এটি যদি সঠিক হয় তাহলে ওই শিল্পপতিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা দরকার। কেননা, ওই সময় তিনি শুধু জীবন বাঁচানোর জন্য আত্মগোপনে ছিলেন না, বরং তিনি দাবী করেছেন দেশে থেকে কিছু করার চেষ্ঠা তিনি করে গেছেন।
এমনকি ওই সময় গার্মেন্ট শ্রমিকসহ বিভিন্ন গোষ্টির তথা কথিত আন্দোলনে ইন্দন যুগিয়েছেন। এ লম্বা সময় ধরে তার অবস্থান না জানা এবং এরপর সীমান্ত পাড়ি দিয়ে নিরাপদে ভারতে চলে যেতে দেয়ার ঘটনা দেশের গোয়েন্দা ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য কলঙ্ক হয়ে থাকবে।
তিন- ওবায়দুল কাদের বলেছেন তারা ক্ষমা চাইবেন, তবে বিদেশে থেকে নয়। দেশে ফিরে প্রয়োজনে ক্ষমা চাইবেন তারা। আমার মনে হয় সে সুযোগ এখনই তারা নিতে পারেন। যদি সত্যিকারভাবে তারা উপলব্ধি করেন তাহলে এখনই দেশে ফিরে ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করতে পারেন।
আদালত ও দেশের মানুষের কাছে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইতে পারেন। বিপ্লবের উত্তাল দিনেও যারা তাকে ভ্যানগার্ড হয়ে নিরাপদ রেখেছে তারা ৯ মাস পর তাদেরকে ক্ষমা করেও দিতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd