• বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জুড়িকে কৃষি হাবে রূপান্তর করা হবে, স্থাপন হবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আজ থেকে শুরু প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা ২৪ ঘন্টায় সিলেটে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৪ শিশু কোম্পানীগঞ্জে বালু-পাথর তুলতে গিয়ে শ্রমিকের প্রাণহানি আম-জাম ফল ধরলে আমাকে পাঠাবেন: প্রধানমন্ত্রী সিসিক’র নববর্ষে শোভাযাত্রায় যে প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন প্রশাসক সিলেটে আধুনিক সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বর্ষবরণে সিলেটে বর্ণিল আয়োজন বাংলা সনের জীবনী বর্তমান সরকারকে শেখ হাসিনার ভূতে ধরেছে: মামুনুল হক নববর্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জামায়াত আমিরের সিলেটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালি পার হলো চীনের জাহাজ সিলেটে বর্ষবরণের নানা আয়োজন, চলছে প্রস্তুতি যুবদল নেতা মঈনসহ গ্রেপ্তার ৭ হজ পালনে ‘হজ ভিসা’ বাধ্যতামূলক করল সৌদি আরব ১৬ দিন ধরে বন্ধ ক্যামেলিয়া হাসপাতাল, সঙ্কটে হাজারো প্রাণ এক সপ্তাহে ছিনতাই-রাহাজানি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে: প্রবাসীকল্যান মন্ত্রী সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজি: সাবেক যুবদল নেতা মঈনসহ গ্রেপ্তার ৭ কোন পথে চলছে হেফাজতে ইসলাম?

পিলখানা ট্র্যাজেডি: শহিদ সেনা দিবস আজ

Reporter Name / ১২৬ Time View
Update : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

170

২০০৯ সালের এই দিনে রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর বিদ্রোহের নামে দেশের ৫৭ জন চৌকশ সেনা কর্মকর্তা ও ১৭ বেসামরিক নাগরিককে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এ নির্মম, নৃশংস ও ভয়ংকর হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে রচিত হয় বাংলাদেশের ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। 

২৫ ফেব্রুয়ারির ক্ষত আজও পীড়া দেয় দেশবাসীকে। দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সদর দপ্তরে সংঘটিত ভয়াবহ সেনা হত্যাযজ্ঞের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহিদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহিদদের মাগফেরাত কামনা করছি। তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।

তারেক রহমান বলেন, পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিলো-নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলে মনে করি।

আরও পড়ুন: পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ছিল সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা: প্রধানমন্ত্রী

২৫ ফেব্রুয়ারি যা ঘটেছিল 
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টায় পিলখানা সদর দপ্তরে তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) দরবার হলে শুরু হয় বার্ষিক দরবার। বিডিআর মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদের বক্তব্যের একপর্যায়ে বিডিআরের কিছু বিদ্রোহী সৈনিক অতর্কিত হামলা চালায় দরবার হলে। এরপর ঘটে যায় ইতিহাসের সেই নৃশংস ঘটনা। বিডিআরের বিদ্রোহী সৈনিকরা উপস্থিত সেনা কর্মকর্তাদের ওপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তারা সেনা কর্মকর্তাদের নৃশংসভাবে হত্যা করে তাদের পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করেন। পুরো পিলখানায় এক বীভৎস ঘটনার সৃষ্টি হয়। নানা নাটকীয়তায় পিলখানার ভিতরের নৃশংস এ হত্যাযজ্ঞ শেষে ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে বিদ্রোহের অবসান ঘটলে পিলখানার নিয়ন্ত্রণ নেয় পুলিশ।

২৭ ফেব্রুয়ারি পিলখানার ভিতরে সন্ধান মেলে একাধিক গণকবরের। সেখানে পাওয়া যায় তৎকালীন বিডিআরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ, তার স্ত্রীসহ সেনা কর্মকর্তাদের লাশ। এ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের পর ২৮ ফেব্রুয়ারি লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা করা হয়। পরে মামলা দুটি নিউমার্কেট থানায় স্থানান্তরিত হয়। ঢাকা মহানগর তৃতীয় বিশেষ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে বিডিআরের সাবেক ডিএডি তৌহিদসহ ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ২৭৭ জনকে খালাস দেয়া হয়।

সর্বশেষ পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গেল বছরের ১৯ জানুয়ারি ২৫০ জন বিডিআর জওয়ানকে জামিন দেন আদালত। ২৩ জানুয়ারি ১৭৮ জনকে মুক্তি দেয়া হয়।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd