• মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
মাধবপুরে মাদকসহ যুবক আটকের ভিডিও ভাইরাল, অথচ মামলা হলো আসামি ছাড়া! জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সঙ্গে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিলেটে একদিনে ২৪ জনের হাম শনাক্ত ঢাবি ছাত্রদলের নতুন কমিটি যে কোনো সময়, আলোচনায় একাধিক পরিচিত মুখ আলিয়া মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে সহাবস্থানে একমত ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত বাংলাদেশের সিলেটে ভ য়া ব হ বিদ্যুৎ বিপর্যয়, মুক্তি কবে? সিলেটে বন্ধ হচ্ছে অবৈধ হাসপাতাল হবিগঞ্জে মোবাইল চু রি, এসআই ক্লোজড কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩২ কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত তরুণের লাশ ৩৯ ঘণ্টা পর হস্তান্তর জৈন্তাপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শাহজাহান ‘অবাঞ্ছিত’ দক্ষিণ আমেরিকান ক্রিকেটে ইতিহাস গড়লো ব্রাজিল সিলেটে হাম-ডেঙ্গুর পর এবার করোনার হানা শহীদদের স্বপ্নের দেশ গড়তে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পুলিশের ৭ এডিসি ও এসি পদে রদবদল ফের সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে প্রাণ গেল ২ জনের ‘কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার কারণে’ সিলেটে কমেছে পাসের হার: পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আপার পথে যারা হাঁটবেন, তাদেরও পালাতে হবে: জামায়াত আমির ৩১২ প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

মাধবপুরে মাদকসহ যুবক আটকের ভিডিও ভাইরাল, অথচ মামলা হলো আসামি ছাড়া!

Reporter Name / ১১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

12

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুরে মোটরসাইকেলযোগে মাদক পাচারের সময় এক যুবক আটক হওয়ার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও, পরবর্তীতে থানায় আসামাবিহীন মামলা দায়ের নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে চরম ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৯ জুলাই উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের বনগাঁও গ্রাম দিয়ে মোটরসাইকেলে মাদক (ইস্কাপ) পাচারের সময় স্থানীয়দের সহায়তায় বনগাঁও গ্রামের রায়হান মিয়ার ছেলে আল মামুন নামে এক যুবককে আটক করা হয়। ঘটনার সময় আশরাফ মিয়া নামে এক ব্যক্তি পুরো বিষয়টি ভিডিও করেন, যা মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে।​ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, আটককৃত যুবকের মোটরসাইকেলের পাশে একটি ব্যাগে বিপুল পরিমাণ নেশাজাতীয় দ্রব্য (ইস্কাপ) রয়েছে এবং কিছু বোতল বাইরে ছড়িয়ে পড়ে আছে। এ সময় পুলিশ কনস্টেবল মোস্তাফিজুর রহমান ওই যুবককে ধরে রেখেছেন এবং পাশেই এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি মোটরসাইকেলটি সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। পরে খবর পেয়ে তেলিয়াপাড়া ফাঁড়ির পুলিশ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মোটরসাইকেল ও মাদক উদ্ধার করে।​তবে রহস্যের সৃষ্টি হয় মামলা দায়েরের পর। ঘটনার পর ফাঁড়ির এএসআই সহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করলেও তাতে কোনো আসামির নাম উল্লেখ করা হয়নি। বিষয়টি জানাজানি হতেই নেটিজেন ও এলাকাবাসীর মনে প্রশ্ন জাগে—কনস্টেবল মোস্তাফিজুর রহমান যে যুবককে সরাসরি হাতেনাতে আটক করেছিলেন, পরবর্তীতে তাকে কেন এবং কীভাবে ছেড়ে দেওয়া হলো?
​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, “ঘটনাস্থলে ব্যাগে প্রায় ১০০ বোতল ইস্কাপ ছিল। কিন্তু মামলায় উদ্ধার দেখানো হয়েছে মাত্র ৫০ বোতল।”
​ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে কনস্টেবল মোস্তাফিজুর রহমান জানান, “আমি ও আমার এক বন্ধু বাগানে ঘুরতে গিয়েছিলাম। হঠাৎ একটি ছেলে আমাদের দেখে মোটরসাইকেল নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধরে ফেলি। তখন তার পাশে থাকা ব্যাগে মাদক দেখতে পাই। বিষয়টি তাৎক্ষণিক ফাঁড়িতে জানালে টিম এসে মোটরসাইকেল ও মাদক উদ্ধার করে। তবে এরপর কী হয়েছে, সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না।”
​অন্যদিকে মামলার বাদী তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই সহিদুল ইসলাম দাবি করেন, “আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় মাদক ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছি। পুলিশ সেখানে পৌঁছানোর পর কাউকে পাওয়া যায়নি।”
​একজন পুলিশ কনস্টেবল ভিডিওতে আসামী ধরে রাখার পর ফাঁড়ির দল গিয়ে তাকে ‘পরিত্যক্ত’ হিসেবে দেখানোয় পুরো ঘটনাটি নিয়ে ধোঁয়াশা ও জনমনে গভীর অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উন্মোচন ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd