জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ ও সরকারি আলিয়া মাদ্রাসায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এসব সংঘর্ষে দুই ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মী, সাধারণ শিক্ষার্থী ও পথচারীরা আহত হয়েছেন।
ক্যাম্পাসগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি বর্তমানে পুরোপুরি শান্ত।
সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় তিনজন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
সংঘর্ষের কারণ জানতে চাইলে ডিসি জাহিদুল বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন ন্যাশনাল হাসপাতালের সামনে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও সন্ধ্যার মধ্যে থেমে যায়।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল সংবাদমাধ্যমকে জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন আছে। তবে এ ঘটনায় মোট কতজন আহত হয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা কলেজ ও ন্যাশনাল হাসপাতালের সামনে সংঘর্ষে আহত কয়েকজন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে বিকেল ৪টার দিকে বকশীবাজার সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে মাদ্রাসার অধ্যক্ষসহ অন্তত সাতজন আহত হন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা জানান, আহতদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, রাজধানীর সংঘর্ষপ্রবণ এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।