সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতাঃ ঢাকা টু রংপুর লংমার্চে যমুনা নদীর পশ্চিম পারে সয়দাবাদ এলাকায় বিএনপির সন্ত্রাসী হাসান, পিতা মো. তারা, গ্রাম সয়দাবাদ বারাম-এর নেতৃত্বে পারভেজ, পিতা মজনু, গ্রাম সারটিয়া; আলামিন, পিতা অজ্ঞাত, গ্রাম পূর্বমহনপুর; হাসান, পিতা আমজাদ, গ্রাম দুখিয়াবাড়ী—সবাই মিলে অতর্কিতভাবে জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর ও নুরুন্নবীকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত করে।

আহত সবুরকে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তার না থাকায় জরুরিভাবে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

ঘটনার বর্ণনায় জানা যায়, জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা টু রংপুর লংমার্চের গাড়িবহর যমুনা সেতু পার হয়ে সয়দাবাদ এলাকা দিয়ে চলে যাওয়ার পর আব্দুস সবুর জোহরের নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হলে ওই সন্ত্রাসী চক্র দেশীয় অস্ত্র হাতে তার ওপর আক্রমণ করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে।

স্থানীয় লোকদের থেকে জানা যায়, সকাল থেকেই এই চক্র গাড়িবহরে হামলার চেষ্টা করে। জামায়াত ও শিবিরের শক্ত প্রতিরোধের কারণে কিছু করতে পারেনি। কিন্তু গাড়িবহর পার হয়ে যাওয়ার পর বিচ্ছিন্নভাবে লংমার্চে আগত লোকদের ওপর পরিকল্পিত হামলা করতে থাকে।

download (3)

গুরুতর আহত জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর।

এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি রাকিবুল হাসান বলেন, আমরা ঘটনা শুনেছি, হাসপাতালে আহত ব্যক্তিকে পুলিশ দেখেছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।

এদিকে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আনোয়ার হোসেনকে জরুরি বিভাগে ডাক্তার না থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছুটির দিন হওয়ায় কোনো ডাক্তার হাসপাতালে নেই।