• বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
লোভাছড়া কোয়ারির দুই মামলার তদন্তে অনিয়মের অভিযোগ; বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি ২৫ জুলাই আলিয়া মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ সফলে সিলেট জেলা ও মহানগর জামায়াতের প্রস্তুতি সভা বিশেষ দেশকে খুশি করতে ফ্যাসিবাদী সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আসছে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী এইচএসসির প্রশ্নপত্রে ত্রুটি: ৪ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ ‘মন্ত্রী-এমপির ছত্রছায়ায় সিন্ডিকেট মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে’ প্রবাসীর মরদেহ পরিবহন-দাফনে তাৎক্ষণিক ৩৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রতিশোধ: ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনার এক দীর্ঘ, তিক্ত যাত্রা শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই রায় কার্যকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিলেটে সেই ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে যত অ ভি যো গ ছাদখোলা বাসে হলান্ডদের বীরোচিত সংবর্ধনা ফ্রান্সের হৃদয় ভেঙে ফাইনালে স্পেন এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ : সাড়ে ৪ লাখ টাকা পাবেন সেই গৃহবধূ সেই ১৪ জুলাই: ‘রাজাকার’ বলার দিনেই ‘মুরগিতে’ উত্তাল দেশ আমরা জুলাই শহীদদের কাছে চিরঋণী : বিরোধীদলীয় নেতা ইসরায়েলের সঙ্গে যেভাবে জড়িয়ে গেল মেসির নাম দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার-হাসিনাকে আইনমন্ত্রী ছাত্রশিবির ছাড়ার ঘোষণা সাদিক কায়েমের গুগলে ‘চোরের দলের ফুটবল খেলা কবে’ সার্চ দিলেই যে ফল দেখাচ্ছে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি প্রত্যাখ্যান করে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

এই বাজেট অপরিকল্পিত, অস্বচ্ছ ও বাস্তবায়ন অযোগ্য: নাজিবুর রহমান

Reporter Name / ৪৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

80
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে গতানুগতিক, গণবিরোধী ও শুভঙ্করের ফাঁকি বলে আখ্যায়িত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেন। তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, এই বাজেট একদিকে যেমন অপরিকল্পিত, অস্বচ্ছ ও বাস্তবায়ন অযোগ্য, অন্যদিকে এটি আগামী বছরের লুটপাটের একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা মাত্র।
বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
বাজেট প্রণয়নে নির্বাচিত জনপ্রতিধিদের ভূমিকার সমালোচনা করে নাজিবুর রহমান মোমেন বলেন, “যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে অর্থবিল সংসদে আসার আগে স্থায়ী কমিটিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়। অথচ আমাদের দেশে বাজেট প্রণয়ন করেন আমলারা। আমাদের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভূমিকা এখানে কয়েক মিনিটের গলাবাজি এবং ‘রাবার স্ট্যাম্প’-এর মতো কেবল পাস করিয়ে দেয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ।
প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বাজেটকে ‘সবচেয়ে বড় ঘাটতি ও ঋণ নির্ভর বাজেট’ আখ্যা দিয়ে পাবনা-১ আসনে সংসদ সদস্য বলেন, “বাজেট ঘাটতি মেটাতে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নেয়া হবে দেশীয় ব্যাংক থেকে। অথচ টাকা ছাপিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজেই ঘাটতি মেটাচ্ছে। যে ইসলামী ব্যাংক থেকে সরকার হাত দেওয়ার পর জনগণ ৭ দিনে ৪ হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছে, সেখানে ৯ হাজার কোটি টাকা লোন দিয়ে জোড়াতালি দেয়া হচ্ছে। এই অবস্থায় দেশের অর্থনীতি পুরো ১২টা বাজবে।” এছাড়া আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের শর্ত মেনে ঋণ নিলে কৃষি ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকি বন্ধ হয়ে যাবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
বাজেটকে মধ্যবিত্ত ও গরিবের ওপর চাপ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৮ কোটি মানুষের দেশে প্রত্যক্ষ কর দেন মাত্র ২৪ লাখ মানুষ। বাকি পরোক্ষ কর বা ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) রিকশাওয়ালা, ভিক্ষুক থেকে শুরু করে কোটিপতি সবাইকে সমানভাবে দিতে হয়। গ্যাস সিলিন্ডারসহ ২০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর ভ্যাট বাড়ানো হয়েছে।
বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়নি- এমন দাবির বিরোধিতা করে তিনি বাজেট বইয়ের পৃষ্ঠা ও ধারা উল্লেখ করে বলেন, অর্থবিলের ১২৪ নম্বর পৃষ্ঠার ১৫২ নম্বর ধারায় আবাসন খাতে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ স্পষ্ট রাখা হয়েছে। এর ফলে সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হবে মধ্যবিত্ত শ্রেণি, যারা সারাজীবনের সঞ্চয় দিয়ে একটা ফ্ল্যাট কিনতে চান।
উন্নয়ন বরাদ্দের অর্ধেকের বেশি লুটপাট হয় দাবি করে তিনি বলেন, আমরা যারা তৃণমূলে কাজ করি তারা জানি, এডিপির (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) বরাদ্দের ৫০ শতাংশও কাজের কাজে লাগে না। অথচ সংবিধানের ৯০ ও ১৩২ ধারা এবং সরকারি অর্থ ও বাজেট ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী এপ্রোপ্রিয়েশন অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সংসদে হিসাব দেয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও ৬ বছর ধরে কোনো হিসাব দেয়া হচ্ছে না। ফলে ২০১৮ সালের পর ২০১৯ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত বাজেট কীভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, তার কোনো জবাবদিহিতা নেই। এটি সরাসরি হরিণলুটের পথ খুলে দিচ্ছে।
তবে বাজেটে ঘোষিত ‘জাল যার, জল তার’ নীতির প্রশংসা করে তিনি এটিকে আইনি ভিত্তি দেয়ার দাবি জানান এবং তার নির্বাচনী এলাকা সাঁথিয়ার ইছামতি নদীকে আমলাতান্ত্রিক লিজের হাত থেকে মুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd