• রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গবেষণা-উদ্ভাবনে অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী ফিফা বিশ্বকাপের মহাযজ্ঞ শুরু হতে আর মাত্র ৬ দিন বাকি, ব্রাজিলের বিশ্বকাপ ম্যাচ কখন কোথায় এক নজরে দেখে নিন ক্ষতির শঙ্কায় সিলেটের ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত আইজিপি হলেন সিলেটের ডিআইজি মুশফেকুর রহমান সিন্ডিকেটের কব্জায় ওসমানী হাসপাতাল সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়ক: যেন অনিয়ম ও লুটপাটের স্থায়ী চারণভূমি আ.লীগ ও জামায়াত একই জিনিস, আমাদের সতর্ক থাকতে হবে : ইশরাক চেয়ারম্যানসহ বিএসইসির চার কমিশনারের পদত্যাগ ভোটের আগে জামায়াতের জয়ের হাইপ তোলা হয়েছিল, কিন্তু মানুষ ভুল করেনি: মির্জা ফখরুল নেইমার জুনিয়রের পিঠেই উঠছে ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী ‘১০ নম্বর’ জার্সি দিরাইয়ে অনলাইন জুয়ার গ্রাস, বাড়ছে অপরাধ গরুর ভুঁড়ি সহজেই পরিষ্কার করবেন যেভাবে বিশ্বকাপের বলেও চার্জ! ২০২৬ আসরে প্রযুক্তির নতুন চমক বিশ্বকাপ ২০২৬: কোন শহরে থাকছে আপনার প্রিয় দল ঈদে সিলেটের পর্যটনকেন্দ্রে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা: মন্ত্রী বিএনপিও পুলিশকে লাঠিয়াল বাহিনীর মতো ব্যবহার করতে চায়: হাসনাত বিশ্বনাথে বিদ‍্যালয়ের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করলেন এমপি লুনা টাঙ্গাইলে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহতদের ১৩ জনের বাড়িই নওগাঁয় সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে ৩ বাংলাদেশি নিহত সিলেটে ছি ন তা ই কা রী বাপ্পী বিএনপি নেতার ছেলে!

শাল্লায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রির অভিযোগ

Reporter Name / ৪৯৮ Time View
Update : বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫

262

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৪নং শাল্লা ইউনিয়নের ভেড়ামোহনা নদীর পাড়ে অবস্থিত মুজিবনগর আশ্রয়ণ প্রকল্পে সরকারি ঘর বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ২০২০ সালে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় নির্মিত ১০৬টি ঘরের মধ্যে অন্তত ২১টি ঘর বিক্রি হয়েছে বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় স্থানীয় হতদরিদ্রদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

২০২০ সালে ঘর বরাদ্দ নিয়ে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল-মোক্তাদির এবং ট্যাগ অফিসার, মৎস্য কর্মকর্তা আল-মামুনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ইউএনও আল-মোক্তাদিরকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয় এবং মৎস্য কর্মকর্তা আল-মামুনকে শাস্তিমূলকভাবে বান্দরবানে বদলি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে অনেক বিত্তশালী এবং যারা এলাকায় থাকেন না, তাদের নামে এই ঘরগুলো বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। সরকারি খাস জমিতে ঘর নির্মাণের নীতিমালা থাকলেও প্রায় ৪০০ ঘর রেকর্ডীয় জায়গায় তৈরি করা হয়।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো টেকসইভাবে নির্মাণ না হওয়ায় নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পরপরই অনেক ঘরে ফাটল দেখা দেয় এবং কিছু ঘর ভেঙেও যায়। এর মধ্যে মুজিবনগরে দেখা যায় এক ভিন্ন চিত্র। ১০৬টি ঘরের মধ্যে প্রায় ৫০টি পরিবার ঘর তালাবদ্ধ রেখে ঢাকায় বা অন্য শহরে চলে যান। এরপরই শুরু হয় ঘর বিক্রির কার্যক্রম।

সরেজমিনে জানা গেছে, রিপন মিয়া তার ঘরটি ১ লক্ষ ৩ হাজার টাকায় বিক্রি করেন রুবেল মিয়ার কাছে। মুজিবুর মিয়া তার ঘর ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকায় ইলিয়াস মিয়ার কাছে বিক্রি করে দেন। এছাড়াও, খোকন মিয়া ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় মোশারফ মিয়ার কাছে এবং শাহেদনূর মিয়া ১ লক্ষ টাকায় আব্দুল করিমের কাছে ঘর বিক্রি করেছেন। এভাবেই এই আশ্রয়ণ প্রকল্পের ২১টি ঘর বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে।

স্থানীয় যুবক তারেক মিয়া এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, “সরকারের এই উদ্যোগটি একটি ‘লস প্রজেক্ট’-এ পরিণত হয়েছে। কোটি কোটি টাকা খরচ হলেও প্রকৃত হতদরিদ্রদের কোনো উপকার হয়নি। অনেক ঘর দুর্বল নির্মাণের কারণে ভেঙে গেছে, আর যারা স্বাবলম্বী হয়েও ঘর পেয়েছে, তারা সেগুলোর প্রয়োজন না থাকায় বিক্রি করে দিচ্ছে।”

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস জানান, বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রকৃত সুবিধাভোগীরা যাতে এসব ঘর থেকে বঞ্চিত না হন, সেদিকে নজর রাখা এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি বলে মনে করেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd