• বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা এই বাজেট অপরিকল্পিত, অস্বচ্ছ ও বাস্তবায়ন অযোগ্য: নাজিবুর রহমান নেইমারের জন্য প্রস্তুত বিশেষ বুট, নকশায় ‘ফিনিক্স’এর বার্তা স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের শুরুর একাদশে নেই নেইমার সিলেটে শিশু ফাহিমা হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে আদালতে গণপিটুনি তালতলায় ডিবির অভিযানে অবাঞ্ছিত ছয় নারীপুরুষ আটক ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৫৭ চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অবসরের ঘোষণা থেকে বিশ্বকাপের শিখরে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ এমবাপ্পের জোড়া গোল, ইরাককে উড়িয়ে নকআউটে ফ্রান্স জগন্নাথপুরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকায় বঞ্চিত প্রকৃত কৃষকরা ৭০০ বছরের রীতি ভেঙে শাহজালাল মাজারে চলছে প্রকাশ্যে টাকা গণনা এমপি থেকে পিয়ন, সবার কাছে বিরোধীদলীয় নেতার ‘১০ কেজির সারপ্রাইজ’ হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে গোয়াইনঘাটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ক্ষতিগ্রস্ত পর্যটন ব্যবসায়ীরা বড়লেখায় ১৩ বছর আগে জামায়াত কর্মী হ ত্যা মামলায় জামায়াত নেতা গ্রেফতার! উঠানে বাবার লাশ, সম্পত্তির জন্য সন্তানদের সংঘর্ষ

শাল্লায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রির অভিযোগ

Reporter Name / ৫১৭ Time View
Update : বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫

284

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৪নং শাল্লা ইউনিয়নের ভেড়ামোহনা নদীর পাড়ে অবস্থিত মুজিবনগর আশ্রয়ণ প্রকল্পে সরকারি ঘর বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ২০২০ সালে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় নির্মিত ১০৬টি ঘরের মধ্যে অন্তত ২১টি ঘর বিক্রি হয়েছে বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় স্থানীয় হতদরিদ্রদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

২০২০ সালে ঘর বরাদ্দ নিয়ে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল-মোক্তাদির এবং ট্যাগ অফিসার, মৎস্য কর্মকর্তা আল-মামুনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ইউএনও আল-মোক্তাদিরকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয় এবং মৎস্য কর্মকর্তা আল-মামুনকে শাস্তিমূলকভাবে বান্দরবানে বদলি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে অনেক বিত্তশালী এবং যারা এলাকায় থাকেন না, তাদের নামে এই ঘরগুলো বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। সরকারি খাস জমিতে ঘর নির্মাণের নীতিমালা থাকলেও প্রায় ৪০০ ঘর রেকর্ডীয় জায়গায় তৈরি করা হয়।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো টেকসইভাবে নির্মাণ না হওয়ায় নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পরপরই অনেক ঘরে ফাটল দেখা দেয় এবং কিছু ঘর ভেঙেও যায়। এর মধ্যে মুজিবনগরে দেখা যায় এক ভিন্ন চিত্র। ১০৬টি ঘরের মধ্যে প্রায় ৫০টি পরিবার ঘর তালাবদ্ধ রেখে ঢাকায় বা অন্য শহরে চলে যান। এরপরই শুরু হয় ঘর বিক্রির কার্যক্রম।

সরেজমিনে জানা গেছে, রিপন মিয়া তার ঘরটি ১ লক্ষ ৩ হাজার টাকায় বিক্রি করেন রুবেল মিয়ার কাছে। মুজিবুর মিয়া তার ঘর ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকায় ইলিয়াস মিয়ার কাছে বিক্রি করে দেন। এছাড়াও, খোকন মিয়া ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় মোশারফ মিয়ার কাছে এবং শাহেদনূর মিয়া ১ লক্ষ টাকায় আব্দুল করিমের কাছে ঘর বিক্রি করেছেন। এভাবেই এই আশ্রয়ণ প্রকল্পের ২১টি ঘর বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে।

স্থানীয় যুবক তারেক মিয়া এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, “সরকারের এই উদ্যোগটি একটি ‘লস প্রজেক্ট’-এ পরিণত হয়েছে। কোটি কোটি টাকা খরচ হলেও প্রকৃত হতদরিদ্রদের কোনো উপকার হয়নি। অনেক ঘর দুর্বল নির্মাণের কারণে ভেঙে গেছে, আর যারা স্বাবলম্বী হয়েও ঘর পেয়েছে, তারা সেগুলোর প্রয়োজন না থাকায় বিক্রি করে দিচ্ছে।”

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস জানান, বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রকৃত সুবিধাভোগীরা যাতে এসব ঘর থেকে বঞ্চিত না হন, সেদিকে নজর রাখা এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি বলে মনে করেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd