• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যুদণ্ড শিশুদের পছন্দের কেক, কাজী ফার্মসের মাফিন স্বাস্থ্যের জন্য ভয়ানক ইসিকে ‘কমেডি সেন্টার’ নয়, আস্থার কেন্দ্র হিসেবে চায় জনগণ: নাসীরুদ্দীন বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আসিফ নজরুলের ছিল: তদন্ত কমিটি বহু ত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্র পেয়েছি, এটি রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ: রাষ্ট্রপতি দুর্নীতি-দলীয়করণ বন্ধে সরকারের সদিচ্ছা দরকার: মামুনুল হক রাষ্ট্রপতির আগমনে ২০ বছর পর সচল হলো সুরমা পাড়ের ফোয়ারা দেশে ফিরলেন লিবিয়ায় বন্দি ১৬৮ বাংলাদেশি সিলেটে এসে দুই ওলির মাজার জিয়ারত করলেন রাষ্ট্রপতি সিলেটে রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা বর্জন মহানগর বিএনপির সিলেটে রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎবিভ্রাট কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটিতে যুক্ত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা, হবে সাত ধাপে সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে মেধাবীদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের চোরের মায়ের বড় গলা, ‘দুর্নীতির বরপুত্র’ আসিফের অবস্থাও সেরকম: রাশেদ খান রাষ্ট্রপতির সফর নির্বিঘ্ন করতে সিলেটে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্তের অভিযোগ, রাজমিস্ত্রি যুবককে পুলিশে সোপর্দ ডাকসু সংগ্রহশালা থেকে পাকিস্তানের নেতা জিন্নাহকে অপসারণের দাবি ঢাবি ছাত্রদলের আম্বরখানায় নাগরী লিপিতে সাইনবোর্ড, ফিরছে সিলেটের হারানো ঐতিহ্য হাকালুকি হাওরে মিলছে রুপালি ইলিশ

স্বস্তির বৃষ্টিতে জেগে উঠল চায়ের রাজধানী

Reporter Name / ১৮২ Time View
Update : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬

307

ভোরের আলো তখন পুরোপুরি ফুটেনি। কুয়াশা ভেজা সবুজ ঢেউয়ের মতো ছড়িয়ে থাকা চা বাগানের পাতাগুলো যেন নিঃশব্দে অপেক্ষা করছিল। অনেক দিন ধরে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকা সেই অপেক্ষার শেষ হলো এক বৃষ্টিভেজা সকালে।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের চা বাগানগুলোতে শুক্রবার নেমে এলো কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি। দীর্ঘ খরার পর সেই বৃষ্টির টুপটাপ শব্দ যেন নতুন প্রাণ এনে দিল ক্লান্ত গাছগুলোর শরীরে। ভোর ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে পড়ল ৩.৮ মিলিমিটার বৃষ্টি। তারপর দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা—আরও জোরে নামল বৃষ্টি, ৩২.৫ মিলিমিটার। সব মিলিয়ে দিনের শেষে রেকর্ড হলো ৩৬.৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত।

বাগানের শ্রমিকেরা যখন ভেজা মাটিতে পা রাখলেন, তাদের চোখেমুখে ফুটে উঠল স্বস্তির হাসি। এতদিন ধরে শুষ্ক হয়ে থাকা মাটিতে আবার ফিরে এসেছে আর্দ্রতা। ছাঁটাই করা গাছগুলো যেন নতুন করে নিশ্বাস নিতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের কীটতত্ত্ব বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শামীম আল মামুন বলেন, চা গাছের বেড়ে ওঠা আর পাতা উৎপাদনের জন্য বৃষ্টি অত্যন্ত জরুরি। বছরে দুই হাজার মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত চা শিল্পের জন্য আদর্শ। আর একটি পরিণত চা গাছ শীতকালে গড়ে ১.৩ মিলিমিটার এবং গ্রীষ্মকালে প্রায় ৬ মিলিমিটার পানি প্রয়োজন হয়।

গত জানুয়ারি থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় অনেক বাগানেই সেচ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল। কোথাও পানির উৎস নেই, কোথাও জলাধার শুকিয়ে গেছে। ফলে স্প্রিঙ্কলার সেচ ব্যবস্থাও অনেক জায়গায় অচল হয়ে পড়েছিল।

কিন্তু প্রকৃতির এই হঠাৎ দান যেন সব চিন্তা দূর করে দিল। এখন বাগানের ডালপালায় ধীরে ধীরে উঁকি দেবে সেই কাঙ্ক্ষিত দৃশ্য—‘দুটি পাতা একটি কুঁড়ি’।

দীর্ঘ খরার পর শ্রীমঙ্গলের চা বাগানগুলো আবার সবুজে ভরে ওঠার অপেক্ষায়। আর বাগানজুড়ে শ্রমিকদের চোখে এখন একটাই স্বপ্ন—নতুন মৌসুমে কুঁড়ি ভরা ঝুড়ি নিয়ে ফিরবে প্রাণবন্ত দিনগুলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd