• রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
৫ সেপ্টেম্বর লংমার্চ, লক্ষাধিক মানুষের সমাগমের প্রস্তুতি শাবিপ্রবিতে ভর্তিতে শীর্ষে চট্টগ্রাম-ঢাকা, তৃতীয় সিলেট সিলেটের পথে পল্লব, সাথে থানাপুলিশ দিরাইয়ে খুনের পর প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে ব্যাপক তাণ্ডব ও লুটপাট, ঘরছাড়া অর্ধশত পরিবার সিলেট মহানগর আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির গ্রেপ্তারের গুঞ্জন, যা জানা গেল হবিগঞ্জে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহতের অভিযোগ, বিজিবি বলছে ‘চোরাকারবারিদের গুলিতে’ কমলগঞ্জে বিএসএফের পুশইন করা দুই নারীসহ ৩ বাংলাদেশি আটক মজুরি বাড়ানোসহ ৫ দফা দাবিতে বড়লেখায় চা শ্রমিকদের কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার : প্রতিমন্ত্রী নুর ২০ হাজার টাকা নিয়ে বিরোধ, হবিগঞ্জে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ছোট বোন নিহত সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী হচ্ছেন নুরুল ইসলাম বাবুল স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না: রাষ্ট্রপতি সংসদ ভবনের সামনে ছিনতাই, রিকশা থেকে পড়ে প্রাণ গেল শিক্ষিকার সিলেটসহ ৮ জেলায় যে সময়ে হবে ভ য়া ব হ লোডশেডিং ছাতক উত্তর উপজেলা তালামীযের কৃতি সংবর্ধনা সম্পন্ন দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে দক্ষিণ সুরমায় হবে পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম নবীগঞ্জে পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে স্কুল সহকারী ও দপ্তরীর করুণ মৃত্যু মৃত্যুর আগে নির্যাতনের কথা জানিয়েছিলেন মুন্নি, পরে মিলল ঝুলন্ত লাশ গুম বন্ধ করতে পৃথক আইনি কাঠামো প্রণয়ন করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

গুম বন্ধ করতে পৃথক আইনি কাঠামো প্রণয়ন করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name / ১৮ Time View
Update : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

21

ভবিষ্যতে ‘গুম বা এনফোর্সড ডিজঅ্যাপিয়ারেন্স’ বন্ধ করতে সরকার পৃথক আইনি কাঠামো প্রণয়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামীকাল (রোববার, ৩০ আগস্ট) ‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষ্যে প্রকাশিত এক বাণীতে এ কথা জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার প্রতিটি গুমের ঘটনা তদন্ত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে। এরই মধ্যে জাতীয় সংসদে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬ উত্থাপিত হয়েছে।’

আজ (শনিবার, ২৯ আগস্ট) তথ্য অধিদপ্তর প্রধানমন্ত্রীর এ বাণী প্রকাশ করে।

এ বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। এ দিবসে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল গুম হওয়া ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারের সদস্যদেরকে গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা জানাই। বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধ হচ্ছে পুম বা এনফোর্সড ডিজঅ্যাপিয়ারেন্স। এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা এবং মানবাধিকারের চরমতম লঙ্ঘন। বিশেষ করে বিশ্বের স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে এ ধরনের অমানবিক ঘটনা ঘটে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অনেক সময় সরকারবিরোধী আন্দোলন বা ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের নির্দয়, নির্মম ও নিষ্ঠুর পথ বেছে নেয়।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের পতিত, পরাজিত ও পলাতক ফ্যাসিস্ট সরকার দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার দমন করার জন্য গুম-অপহরণের অমানবিক পথ বেছে নিয়েছিলো। গুম-অপহরণের শিকার ব্যক্তিদের মাসের পর মাস কিংবা বছরের পর বছর ধরে আটক রাখার জন্য তৈরি করেছিলো গোপন বন্দিশালা। পলাতক ফ্যাসিস্ট আমলের এসব গোপন বন্দিখানা জনপরিসরে “আয়নাঘর” নামে পরিচিতি পেয়েছিলো।’

দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বরাতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে ব্যবহার করে বিতাড়িত ফ্যাসিস্ট সরকার বিভিন্ন সময়ে কমপক্ষে সাত শতাধিক মানুষকে গুম করেছে। এটি অত্যন্ত মর্মস্পর্শী ও হৃদয়বিদারক। বর্তমান সরকার প্রতিটি গুমের ঘটনা তদন্ত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে। ভবিষ্যতে “গুম বা এনফোর্সড ডিজঅ্যাপিয়ারেন্স” বন্ধ করতে পৃথক আইনি কাঠামো প্রণয়ন করছে। এরই মধ্যেই জাতীয় সংসদে “গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬” উত্থাপিত হয়েছে। একইসঙ্গে “জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬”-ও জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। সরকার আশা করে, উত্থাপিত বিলগুলো যথানিয়মে আইনে পরিণত হলে ভবিষ্যতে আর কেউ গুম কিংবা অপহরণের মতো মানবতাবিরোধী জঘন্য অপরাধের পথ বেছে নেবে না।’

তিনি বলেন, ‘গুম কিংবা অপহরণ শুধু একটি সংখ্যা নয় কিংবা একজন ব্যক্তির হারিয়ে যাওয়া নয়; বরং একটি পরিবারের স্বপ্ন, সাধ ও আকাঙ্ক্ষার মৃত্যু। একটি পরিবারের সামনে থমকে যাওয়া ভবিষ্যৎ। গুম হয়ে যাওয়া মানুষের অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের দিন কাটে এক অনিশ্চিত বাস্তবতায়, যেখানে কোনো সমাপ্তি নেই, নেই শোক পালনের স্বাভাবিক সুযোগ।’

ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পথ ধরে ২০২৪ সালে বীর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট চক্রের পতনের পর সৌভাগ্যবান কেউ কেউ ফিরে এসেছেন। অপরদিকে, ইলিয়াস আলী কিংবা চৌধুরী আলমের মতো অসংখ্য মানুষের আজও খোঁজ মেলেনি।

আইসিসির রোম সনদের ৭(২) অনুচ্ছেদে গুমকে মানবতার বিরুদ্ধে একটি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গুমের ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। রাষ্ট্র বা সরকার কর্তৃক গুমের বিরুদ্ধে বিশ্ববিবেককে জাগিয়ে রাখতে সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য “ভিক্টিমস ফার্স্ট, অ্যাকশন্স নাউ”।’

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুমকে একটি মনুষ্যত্বহীন অপরাধ বলে উল্লেখ করে এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিচার ও জবাবদিহিতার জন্য দুনিয়াজুড়ে ঐক্য ও সংহতির আহ্বান জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd