কথায় বলে ‘মর্নিং শোজ দ্য ডে’। অর্থাৎ সকাল দেখেই সারাদিন কেমন যাবে তা বোঝা যায়। নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সরকারের শুরুটা ঠিক তেমনই ইঙ্গিত করছে। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশে নতুন দিনের সূচনা হয়েছে এমনটি অনেকে মনে করছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর তারেক রহমান দ্বিতীয় দিনের মতো গতকাল সচিবালয়ে অফিস করছেন। তার আগমনে দ্বিতীয় দিনেই সচিবালয়ে দেখা গেছে এক ভিন্ন চিত্র, ফিরে এসেছে কর্মচাঞ্চল্য।সকাল সোয়া ৯টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ ভবনের (নতুন ভবন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তিনি প্রবেশ করেন। রোজার প্রথম দিন হওয়ায় তখনো সব সচিব ও কর্মকর্তা-কর্মচারী সচিবালয়ে এসে হাজির হননি। তথচ প্রধানমন্ত্রী তার অফিসে এসে হাজির হয়েছেন। এর ফলে সচিবালয়ে তখন যে যার কক্ষে ছোটাছুটি শুরু করেন। অনেকে ফাইল নিয়ে তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে ছুটে যান। যেসব সচিব তখনো কাছাকাছি রাস্তায় জ্যামে বসে ছিলেন তাদের অনেকেই গাড়ি ছেড়ে হন্যে হয়ে সচিবালয়ে ঢোকেন। এতদিন সচিবালয়ের সংস্কৃতি ছিল সকাল সাড়ে নয়টা-দশটার মধ্যে আয়েশের ভঙ্গিতে সচিব বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অফিসে আসতেন। এরপর ধীরেসুস্থে কাজ শুরু হতো। কিন্তু তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়ে দ্বিতীয় দিনই সেই পুরাতন রীতি ভেঙে দিলেন। তিনি নিজে সকাল নয়টার পর পরই অফিসে ঢোকলেন। এর পর পুরো সচিবালয়ে দেখা গেল এক ভিন্ন চিত্র। সব কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছোটাছুটিতে কর্মচাঞ্চল্য শুরু হলো। এর মধ্যে দুপুরে আওরা একটি ব্যতিক্রমী দৃশ্য দেখা গেছে। যোহরের নামাজের বিরতিতে প্রধানমন্ত্রী নিজে নামাজ আদায় করেছেন এবং তার অফিসের সবাই নামাজ পড়েছেন। বিষয়টি সচিবালয়ে সবার কাছে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। শুধু তাই নয়, দেশ গঠনে দ্রুত কাজ শুরু এবং তা এগিয়ে নেওয়ার জন্য নতুন প্রধানমন্ত্রী শনিবারেও অফিস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।