• সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
গরুর ভুঁড়ি সহজেই পরিষ্কার করবেন যেভাবে বিশ্বকাপের বলেও চার্জ! ২০২৬ আসরে প্রযুক্তির নতুন চমক বিশ্বকাপ ২০২৬: কোন শহরে থাকছে আপনার প্রিয় দল ঈদে সিলেটের পর্যটনকেন্দ্রে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা: মন্ত্রী বিএনপিও পুলিশকে লাঠিয়াল বাহিনীর মতো ব্যবহার করতে চায়: হাসনাত বিশ্বনাথে বিদ‍্যালয়ের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করলেন এমপি লুনা টাঙ্গাইলে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহতদের ১৩ জনের বাড়িই নওগাঁয় সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে ৩ বাংলাদেশি নিহত সিলেটে ছি ন তা ই কা রী বাপ্পী বিএনপি নেতার ছেলে! হজে ২৪ বাংলাদেশির মৃত্যু সিলেট থেকে কেনা কুরবানির ৩ গরু ছিনতাই বাংলাদেশের ‘ট্রাম্প মহিষ’ নিয়ে মজার প্রতিক্রিয়া জানাল ইরান রামিসা হত্যার বিচারপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করছে কিছু রাজনৈতিক দল হামে আক্রান্ত ছেলেকে নিয়ে প্রতিবন্ধী এক বাবার লড়াই মৌলভীবাজারে মহাবিপন্ন আহত চিতা বিড়াল উদ্ধার সিলেটে নিজের মেয়েকে গলা কেটে খুন করলেন মা সিলেটে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল র‌্যাব সদস্যের মাধবপুরে মহাসড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার হাওর দখল ও শিল্পায়নের অপচেষ্টা বন্ধের দাবিতে মৌলভীবাজারে কৃষক সমাবেশ সিলেটে রেললাইনে পড়েছিল নারীর কাটা মরদেহ

বিশ্বকাপের বলেও চার্জ! ২০২৬ আসরে প্রযুক্তির নতুন চমক

Reporter Name / ২ Time View
Update : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

5

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুধু দলসংখ্যা ও ম্যাচের হিসাবে বড় হচ্ছে না, প্রযুক্তির দিক থেকেও আনছে বড় পরিবর্তন। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে হতে যাওয়া আসরে ব্যবহৃত হবে অ্যাডিডাসের তৈরি অফিসিয়াল ম্যাচ বল TRIONDA (ট্রিয়ন্ডা)। আর এই বল ঘিরেই এখন ফুটবল দুনিয়ায় নতুন আলোচনা, কারণ ম্যাচের আগে বলটিকে যে চার্জ দিতে হবে।

শুনতে অদ্ভুত লাগলেও কারণটা প্রযুক্তিগত। ট্রিয়ন্ডা বলের ভেতরে থাকবে বিল্ট-ইন মোশন সেন্সর চিপ। এই সেন্সর বলের প্রতিটি স্পর্শ, গতি, দিক পরিবর্তন, স্পিন ও অবস্থান রিয়েল টাইমে ট্র্যাক করতে পারবে। ফলে বলটি আর শুধু খেলার সরঞ্জাম থাকছে না, ম্যাচ পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত অংশও হয়ে উঠছে।

অ্যাডিডাসের তৈরি এই বলের নাম ‘ট্রিয়ন্ডা’। স্প্যানিশ শব্দের অর্থের সঙ্গে মিল রেখে নামটিতে ‘তিন ঢেউ’ ধারণা রাখা হয়েছে, যা ২০২৬ বিশ্বকাপের তিন আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর প্রতীক। বলের নকশাতেও তিন দেশের রঙের ছাপ আছে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নীল, কানাডার জন্য লাল এবং মেক্সিকোর জন্য সবুজ।

তবে আসল চমক বলের বাইরের নকশায় নয়, ভেতরের প্রযুক্তিতে। বলের প্যানেলের মধ্যে বসানো সেন্সরটি প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার ডেটা রেকর্ড করতে পারবে। এর মাধ্যমে কোন মুহূর্তে খেলোয়াড় বল ছুঁয়েছেন, বলের গতি কত ছিল বা কোন দিকে ঘুরেছে, এসব তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যাবে।

এই প্রযুক্তি সবচেয়ে বেশি কাজে দেবে ভিএআর ও অফসাইড সিদ্ধান্তে। স্টেডিয়ামে থাকা হাই-স্পিড ক্যামেরাগুলো খেলোয়াড়দের অবস্থান ট্র্যাক করবে, আর বলের সেন্সর জানাবে স্পর্শের নির্দিষ্ট সময়। দুই তথ্য মিলিয়ে তৈরি হবে ম্যাচের ত্রিমাত্রিক ডেটা মডেল। এতে মিলিমিটার ব্যবধানের অফসাইড বা বল স্পর্শের জটিল সিদ্ধান্ত দ্রুত ও নির্ভুলভাবে নেওয়া সহজ হবে।

সেন্সর চালু রাখতে বলের ভেতরের ব্যাটারি চার্জ থাকা জরুরি। পূর্ণ চার্জে ট্রিয়ন্ডা বল প্রায় ছয় ঘণ্টা সচল থাকতে পারবে বলে জানা গেছে। তাই ম্যাচ শুরুর আগে রেফারি ও ম্যাচ কর্মকর্তাদের অন্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জামের মতো বলের চার্জও নিশ্চিত করতে হবে।

এর আগে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপেও সংযুক্ত বল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে ২০২৬ সালের সংস্করণকে আরও উন্নত বলা হচ্ছে। নতুনভাবে সেন্সর বসানো হয়েছে বলের প্যানেলে, যাতে বলের ওজন, বাউন্স বা খেলার অনুভূতিতে কোনো প্রভাব না পড়ে। খেলোয়াড়দের জন্য বলটি সাধারণ বলের মতোই লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd