সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ড. নুরুল ইসলাম বাবুলের নাম। জামায়াতে ইসলামী তাঁকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে সামনে আনলে সিলেটের নগর রাজনীতিতে এটি নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সাংগঠনিক ভূমিকা এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাঁর সমর্থকদের কাছে ড. নুরুল ইসলাম বাবুল একজন ‘মজলুম জননেতা’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। তাঁদের মতে, নানা চাপ ও প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছেন এবং দলের নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন।
তবে মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এলে শুধু দলীয় পরিচয় নয়, তাঁর নগর ভাবনা, উন্নয়ন পরিকল্পনা, নাগরিক সেবা, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়েও আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সিলেটের যানজট, জলাবদ্ধতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, রাস্তাঘাট, নাগরিক নিরাপত্তা ও আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা—এসব বিষয়ে তাঁর পরিকল্পনা কী, সেটিই নগরবাসীর আগ্রহের বড় জায়গা হতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে, ড. নুরুল ইসলাম বাবুলকে প্রার্থী করা হলে নির্বাচনী মাঠে নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন দেখার বিষয়—‘মজলুম জননেতা’ হিসেবে সমর্থকদের আবেগ এবং একজন সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে তাঁর যোগ্যতা ও নগর উন্নয়নের পরিকল্পনা—দুইয়ের সমন্বয় কতটা জনসমর্থন তৈরি করতে পারে।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে তাঁর প্রার্থিতা চূড়ান্ত হলে নিঃসন্দেহে নগর রাজনীতিতে এটি হবে আলোচিত একটি অধ্যায়।