• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
স্থানীয় নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের সংখ্যা আশঙ্কাজনক কম: সিইসি খলনায়ক ডনের জামিন ফের নামঞ্জুর কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরও বদলায়নি ওসমানী হাসপাতালের চিত্র, ময়লা-দুর্গন্ধে ভোগান্তি একযোগে ১১ পুলিশ কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি সিলেটে ৯ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে আজ রাতে বিএনপির নেতাকর্মীরা আমার সঙ্গে মুনাফেকি করেছে: মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব সিলামে ওয়াকফ এস্টেট নিয়ে ফের সংঘর্ষ, যুবক নিহত বাংলাদেশকে ইনভেস্টমেন্ট হাব হিসেবে গড়তে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আমি গুলি খাবো তবুও আমি হেলমেট পরবো না: মেজর আখতারুজ্জামান মেজর আখতারুজ্জামান একদিনের রিমান্ডে আখতারুজ্জামানকে অবিলম্বে মুক্তি দিন, সাজানো মামলা প্রত্যাহার করুন: জামায়াত আমির সিলেটের বাজারে বাড়তি দর : সবজি, মাছ-মুরগি ও ডিমে হিমশিম ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলের বড় হার বাংলাদেশের নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন আইনের কঠোর প্রয়োগ: মুকতাবিস উন নূর প্রফেসর পদে ডা: হোসাইনের পদোন্নতি বিএনপি সরকার দলীয়করণের ভাইরাসে আক্রান্ত : মু. ফখরুল ইসলাম সিলেটে বিএনপি খুঁজছে একক প্রার্থী, জামায়াতের প্রস্তুতি চূড়ান্ত পদত্যাগ করলেন এমপি ফেরদৌসী মিষ্টি ‘বিচ্ছেদ আমার জীবনে আশীর্বাদ হয়ে এসেছিল’, কেন বললেন উদিতি?

স্থানীয় নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের সংখ্যা আশঙ্কাজনক কম: সিইসি

Reporter Name / ১২ Time View
Update : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

15

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ বেশি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তবে নারী প্রার্থী কম থাকার আশঙ্কা জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেছেন, ‘গণতন্ত্রের অপরিহার্য উপাদান হচ্ছে নারীর অংশগ্রহণ। তবে কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করতে হবে।’ এ জন্য বড় পরিসরে প্রচারাভিযান পরিচালনা এবং তথ্যনির্ভর নীতি প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সোমবার (৫ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম ও নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় জেন্ডার সমতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এক পর্যালোচনা কর্মশালায় সিইসি এসব কথা বলেন। নির্বাচন কমিশনের ইলেক্টোরাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ইটিআই) সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন কমিশনের জন্য প্রস্তুত করা খসড়া ‘জেন্ডার সমতা কৌশল’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং তা চূড়ান্ত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের মতামত গ্রহণ। নির্বাচনি ব্যবস্থা ও প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালায় নারীসহ সব লিঙ্গের মানুষের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘ বাংলাদেশ ও সংস্থাটির ‘ইউএন ইলেক্টোরাল প্রজেক্ট ব্যালট অ্যান্ড ড্রিপ’-এর সহায়তায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী ভোটারদের বিপুল অংশগ্রহণ হবে। তবে নারী প্রার্থী কম হবে।’ এর কারণ হিসেবে তিনি সামাজিক সংস্কৃতি ও প্রচলিত বিশ্বাসের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘পরিবর্তন মানুষ সহজে চায় না। পরিবর্তন করতে গেলে আমরা ১০ বার ভাবি। এজন্য সচেতনতা প্রয়োজন, বড় ক্যাম্পেইন করতে হবে। জনগোষ্ঠীর অর্ধেককে বাইরে রেখে আমরা গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে পারব না। বিশ্বাসযোগ্য গণতন্ত্রের জন্য নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে।’

নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়ে সিইসি বলেন, ‘এখানে পরিবর্তন আনা কঠিন। এজন্য বিশাল পরিসরে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। নারী অংশগ্রহণ বাড়াতে তথ্যনির্ভর নীতি প্রণয়ন করতে হবে।’

জাতিসংঘের ইউএন উইমেনের কান্ট্রি প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিং বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নারীদের যুক্ত করতে হলে তাদের আর্থিক, সামাজিক ও প্রযুক্তিগত বাধা দূর করতে হবে।

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নারীদের যুক্ত হওয়ার অনেক সুযোগ রয়েছে। স্থানীয় সরকারে নারীদের জন্য সংরক্ষিত পদ রয়েছে। সেখানে ভালো করতে পারলে তারা জাতীয় রাজনীতিতেও ভূমিকা রাখার সুযোগ পান।’

তিনি বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে গত জাতীয় নির্বাচনে নারী প্রার্থী কম ছিল। দলীয় ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো গেলে প্রার্থীর সংখ্যাও বাড়বে।’

নারীদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভুয়া তথ্য ও অপতথ্য বন্ধে উদ্যোগ নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘জেন্ডার সমতা নিশ্চিত করতে নারী ভোটারদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে। পাশাপাশি নারী ভোটার ও প্রার্থীদের হয়রানি বন্ধ এবং নারী প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।’

নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমেদ বলেন, ‘দেশে নারীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অনেক আইন থাকলেও বাস্তবে নিরাপত্তা ও সুশাসনের ঘাটতি রয়েছে। এ অবস্থায় নারীদের বৃহত্তর পরিসরে নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসতে হলে সমস্যার গভীরে যেতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘পাঁচ তারকা হোটেলে বসে কোনো কৌশল নির্ধারণ করলে ফল পাওয়া যাবে না। সমস্যার গভীরে যেতে হবে, গ্রামে যেতে হবে।’

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, নারীদের সুরক্ষায় দেশে শক্ত আইন রয়েছে। তবে নারীর অধিকার সুরক্ষায় শুধু আইন যথেষ্ট নয়, এর পাশাপাশি সামাজিক পরিবর্তন প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd