তাকর্মীরা ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে মো. শাহজাহানের বিরুদ্ধে নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে ধরেন। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে— চিকনাগুল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে স্মার্ট কার্ড বিতরণে চাঁদাবাজি, সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজি এবং ঈদুল আজহায় একটি ইসলামিক সংগঠনের দেওয়া কোরবানির গরু অসহায়দের মাঝে বিতরণ না করে নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করে নেওয়া।
এছাড়া সম্প্রতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে নিজের লোক নিয়োগের মাধ্যমে বড় অঙ্কের নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগও সভায় উত্থাপিত হয়। নেতাকর্মীরা জানান, এসব কর্মকাণ্ডে দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সভায় উপস্থিত ৫১ জন নেতাকর্মীর স্বাক্ষরিত এক পত্রে শাহজাহানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়।
পত্রে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন— চিকনাগুল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সিরাজ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মসদ্দর আলী মেম্বার, উপজেলা বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ইমরান আহমদ প্রমুখ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মো. শাহজাহান সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি কোনো অপকর্মের সাথে জড়িত নই। মূলত উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম চৌধুরী মিলে আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এই চক্রান্ত করছেন।