• রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
একযোগে ১১ পুলিশ কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি সিলেটে ৯ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে আজ রাতে বিএনপির নেতাকর্মীরা আমার সঙ্গে মুনাফেকি করেছে: মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব সিলামে ওয়াকফ এস্টেট নিয়ে ফের সংঘর্ষ, যুবক নিহত বাংলাদেশকে ইনভেস্টমেন্ট হাব হিসেবে গড়তে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আমি গুলি খাবো তবুও আমি হেলমেট পরবো না: মেজর আখতারুজ্জামান মেজর আখতারুজ্জামান একদিনের রিমান্ডে আখতারুজ্জামানকে অবিলম্বে মুক্তি দিন, সাজানো মামলা প্রত্যাহার করুন: জামায়াত আমির সিলেটের বাজারে বাড়তি দর : সবজি, মাছ-মুরগি ও ডিমে হিমশিম ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলের বড় হার বাংলাদেশের নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন আইনের কঠোর প্রয়োগ: মুকতাবিস উন নূর প্রফেসর পদে ডা: হোসাইনের পদোন্নতি বিএনপি সরকার দলীয়করণের ভাইরাসে আক্রান্ত : মু. ফখরুল ইসলাম সিলেটে বিএনপি খুঁজছে একক প্রার্থী, জামায়াতের প্রস্তুতি চূড়ান্ত পদত্যাগ করলেন এমপি ফেরদৌসী মিষ্টি ‘বিচ্ছেদ আমার জীবনে আশীর্বাদ হয়ে এসেছিল’, কেন বললেন উদিতি? অস্ট্রেলিয়া সফরের দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ ব্যাংক হিসাব তলব নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানালেন সালমান মুক্তাদির ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রানের রেকর্ড প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশকে ইনভেস্টমেন্ট হাব হিসেবে গড়তে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name / ১৩ Time View
Update : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬

17

বাংলাদেশকে নিরাপদ বিনিয়োগের ঠিকানা হিসেবে গড়তে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সমতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এনগেজমেন্টে আগ্রহী বাংলাদেশ। মিউচুয়াল রেসপেক্টে সম্পর্ক গড়তে চাই আমরা। সরকার ইনভেস্টমেন্ট হাব হিসেবে বাংলাদেশকে গড়তে কাজ করছে। এ সময় তিনি দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের তথ্যও তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ফ্যামিলি কার্ডসহ অন্যান্য কার্ডের সমন্বয়ে একটি ইউনিভার্সেল কার্ড প্রত্যেক নাগরিককে দিতে চায়। এছাড়া শিশুদের জন্য আনন্দের সঙ্গে শিক্ষা নিশ্চিত করতে চাই। শুধু সার্টিফিকেটের জন্য নয়। এর জন্য শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম, মিড ডে মিলসহ অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের তরুণদের যোগ্য করে তুলতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা, বাকস্বাধীনতাও নিশ্চিত করছে সরকার।

এ সময় প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। তাদের প্রত্যাবাসন জরুরি। সংকট শুরু হয়েছে মিয়ানমারে এর শেষও হতে হবে সেখানে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় তিস্তা মহাপরিকল্পনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি জোরদার করছি। মানবাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অবশ্যই রক্ষা করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আইনের শাসন প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হতে হবে। আমরা এমন একটি সংস্কৃতি তৈরি করব, যেখানে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সত্যিই মানুষের সেবা করবে।’

রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকারপ্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি বড় বৈশ্বিক দায়িত্বও পালন করছে, আমরা এখনো প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো দ্রুত, স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই উপায়ে তাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন। এর জন্য অব্যাহত রাজনৈতিক সমর্থন এবং বৈশ্বিক অর্থায়ন প্রয়োজন। পাশাপাশি এই সংকটের মূল কারণগুলো সমাধান করা প্রয়োজন। কেননা এই সমস্যা মিয়ানমারে শুরু হয়েছিল এবং মিয়ানমারেই এর শেষ হতে হবে।’

কৃষি নিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘কৃষি আমাদের অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু। আমরা প্রযুক্তি, সেচ, অর্থায়ন এবং বাজারে কৃষকদের প্রবেশাধিকার উন্নত করছি। আমরা মৎস্য, গবাদি পশু এবং গ্রামীণ উদ্যোগগুলোকে সহায়তা দিচ্ছি। খাদ্য নিরাপত্তাকে অবশ্যই কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং রপ্তানি শিল্পের পরিপূরক হতে হবে। কারণ আমি বিশ্বাস করি, একটি শক্তিশালী গ্রামীণ অর্থনীতি মানেই একটি শক্তিশালী বাংলাদেশ।’

তিনি আরও বলেন, ‘পানি নিরাপত্তাও সমানভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী পাঁচ বছরে আমরা ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও জলপথ খনন করার পরিকল্পনা করেছি। পানি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য আমরা পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প এগিয়ে নিচ্ছি। আমরা একটি তিস্তা মহাপরিকল্পনা তৈরি করছি। এসব পদক্ষেপ কৃষিকে সহায়তা করবে এবং জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তুলবে।’

৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথা পুনরুল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পরিবেশগত লক্ষ্যগুলো সুনির্দিষ্ট। আমরা আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি (২৫০ মিলিয়ন) গাছ লাগাব। আমরা সৌরশক্তির সম্প্রসারণ করছি। বাংলাদেশ বর্জ্য পুনর্ব্যবহার (রিসাইক্লিং) এবং পরিবেশবান্ধব (সবুজ) কারখানাকে উৎসাহিত করছে, যেখানে বিশ্বের শীর্ষ ১০০টি লিড-সার্টিফাইড কারখানার মধ্যে ৫৩টিই আমাদের। পরিচ্ছন্ন ও সবুজ শহরগুলো বর্জ্য কমাতে, জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে এবং আমাদের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে পারে।’

সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (সিজিএস) আয়োজনে তিন দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক সংলাপে বৈশ্বিক ক্ষমতার ভারসাম্য, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তি, গণতন্ত্র, সুশাসন এবং বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক যোগাযোগ ও বাণিজ্য এবং বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে কথা হবে।

উল্লেখ্য, সংলাপে বিভিন্ন দেশের রাজনীতিক, কূটনীতিক, গবেষক, অর্থনীতিবিদ, নীতিনির্ধারক ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নি‌য়ে‌ছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd