যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর তেলের দরপতন, শেয়ারবাজার ঊর্ধ্বমুখী
Reporter Name
/ ৭২
Time View
Update :
বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬
Share
যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর তেলের দরপতন, শেয়ারবাজার ঊর্ধ্বমুখী
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর বৈশ্বিক জ্বালানি ও শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, একই সঙ্গে এশিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতে শক্তিশালী উত্থান লক্ষ্য করা গেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতির খবরে বাজারে স্বস্তি ফিরেছে। ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের বিশ্লেষক অ্যালেক্স হোলমস আল-জাজিরাকে বলেন, বাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এলেও যুদ্ধবিরতি টেকসই হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে।তিনি বলেন, “এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে কি না, তা বোঝার জন্য ইসরায়েল, ইরান এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হবে।” একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, আলোচনায় এখনো বড় ধরনের ফাঁক রয়ে গেছে এবং বাজার এখন ‘অপেক্ষা করে দেখার’ অবস্থানে রয়েছে। রয়টার্সের...
108
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর বৈশ্বিক জ্বালানি ও শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, একই সঙ্গে এশিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতে শক্তিশালী উত্থান লক্ষ্য করা গেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতির খবরে বাজারে স্বস্তি ফিরেছে। ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের বিশ্লেষক অ্যালেক্স হোলমস আল-জাজিরাকে বলেন, বাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এলেও যুদ্ধবিরতি টেকসই হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে।তিনি বলেন, “এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে কি না, তা বোঝার জন্য ইসরায়েল, ইরান এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হবে।” একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, আলোচনায় এখনো বড় ধরনের ফাঁক রয়ে গেছে এবং বাজার এখন ‘অপেক্ষা করে দেখার’ অবস্থানে রয়েছে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৪ দশমিক ৫৯ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দামও ১৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯২ দশমিক ৩৫ ডলারে।
এদিকে, এশিয়ার শেয়ারবাজারে বড় ধরনের উত্থান দেখা গেছে। জাপানের নিক্কেই প্রায় ৫ শতাংশ বেড়েছে, আর দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পির সূচক ৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ায় লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত করতে হয়েছে।
উল্লেখ্য, যুদ্ধ শুরুর পর ইরান হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বেড়ে যায়। একপর্যায়ে তা ব্যারেলপ্রতি ১১৯ ডলারে উঠে যায়। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতি হয়তো সাময়িক স্বস্তি দেবে, কিন্তু স্থায়ী শান্তি না এলে জ্বালানি উৎপাদন পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে না। এশিয়ার দেশগুলো, বিশেষ করে আমদানিনির্ভর দেশগুলো, এই সংকটে সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়েছে।