হবিগঞ্জের মাধবপুর থেকে অপহৃত এক কিশোরীকে সিলেট নগরী থেকে উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯। এ সময় অপহরণ মামলার প্রধান আসামি আরাফাত ইসলামকেও (২০) গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-৯ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯-এর সিপিসি-৩ (হবিগঞ্জ ক্যাম্প) এবং সিপিএসসি সিলেটের একটি যৌথ দল মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৫টা ১০ মিনিটের দিকে সিলেট সিটি করপোরেশনের শাহপরাণ (রহ.) থানাধীন মুরারচর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে হবিগঞ্জের মাধবপুর থানার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার প্রধান আসামি আরাফাত ইসলামকে গ্রেফতার এবং অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, উদ্ধার হওয়া কিশোরী হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
অভিযোগ রয়েছে, গ্রেফতার হওয়া আসামি ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে কিশোরীর বাড়ির আশপাশে ঘোরাফেরা করত। একপর্যায়ে প্রধান আসামি কিশোরীকে প্রেমের প্রস্তাব ও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের কুপ্রস্তাব দেয়। বিষয়টি কিশোরীর পরিবার জানতে পেরে অভিযুক্তের পরিবারকে অবহিত করলেও পরে তারা বিভিন্নভাবে কিশোরীকে বিরক্ত করতে থাকে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ৪ জুন সকাল ৮টার দিকে কিশোরী বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে রাজ্জাক মিয়ার মার্কেটের সামনে পৌঁছালে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা আসামিরা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে তাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরে কিশোরীর বাবা মাধবপুর থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে।
এ তথ্যটি নিশ্চিত করে র্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেফতার হওয়া আরাফাত ইসলাম মাধবপুর উপজেলার রতনপুর গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে। উদ্ধার হওয়া কিশোরী ও গ্রেফতার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।