উপমহাদেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সভাপতি বৃহত্তর সিলেটের কৃতি সন্তান প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন শায়খুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক।
আজ ৩ জুন মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ টায় বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তশরিফ আনেন বিমানবন্দরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম মহানগর,জেলা উত্তর দক্ষিণের নেতৃবৃন্দ হযরতকে রিসিভ করেন।
মটর শোডাউন সহকারে কোর্ট সিলেটের কোট পয়েন্টে নিয়ে আসেন এখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের তিনি বলেন জমিয়ত ১০৬ বছর যাবত এই উপমহাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তার সাংগঠনিক কর্মকর্তা চালিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশের আজকের এই সংকট উত্তোলনের একমাত্র উপায় হক্কানী ওলামায়ে কেরামের নেতৃত্ব দিন্দার মানুষের নেতৃত্ব, তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন সংস্কারের নামে নির্বাচন পিছানোর দুর্বি সন্ধি জাতির জন্য মঙ্গল নয় বরং দ্রুত নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতাশীলদের হাতে হস্তান্তর করেন নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দেশ পরিচালনা করবেন আজকের দেশে অরাজকতা সর্বক্ষেত্রে সংকট এর মূল কারণ নির্বাচিত সরকার অনুপস্থিত তাই দয়া করে সংস্কারের নামে নির্বাচন না করার ষড়যন্ত্র থেকে সরে আসুন ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন দিন।
জমিয়ত সভাপতি আরও বলেন,জমিয়ত উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে একমাত্র জমিয়তের পূর্বপুরুষরায় আজাদী সংগ্রামে লড়াই করেছেন এই গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস আর কারো নেই তাই বাংলাদেশেও শান্তি স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করতে হলে দ্বীনদার ব্যক্তির নেতৃত্বের বিকল্প নেই, জমিয়তের পতাকা তোলে সমবেত হয়ে দেশ গঠনে অংশগ্রহণ করার আহবান জানান।
০৩ জুন মঙ্গলবার জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ সিলেট মহানগর শাখা আয়োজিত মটর শোভাযাত্রা পরবর্তী কোর্ট পয়েন্টে সংবর্ধনায সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
মহানগর সভাপতি মাওলানা মুখলিসুর রাহমান রাজাগঞ্জীর সভাপতিত্বে মহানগর সাধারন সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী পরিচালনায় অন্যান্য মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা উত্তরের সভাপতি মাওলানা আতাউর রহমান কোম্পানীগঞ্জী,কেন্দ্রীয় জমিয়তের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা খলিলুর রহমান,মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাওলানা খয়রুল হোসেন,কেন্দ্রীয় জমিয়তের আইন বিষয়ক সম্পাদক জৈন্তা গোয়ানঘাট নির্বাচনী এলাকার প্রিয় নেতা এডভোকেট মোহাম্মদ আলী,মহানগর সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা নিজাম উদ্দিন প্রিন্সিপাল মাহমুদুল হাসান মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা মোসাদ্দিক আহমদ, মাওলানা মাহমুদুল হাসান বালিপাড়ী ,দক্ষিণ জেলা সহ-সভাপতি জমিয়েতের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা নজরুল ইসলাম ,দক্ষিণ সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আমিনুদ্দিন,উত্তর জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি নুর আহমদ কাসেমী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এবাদুর রহমান কাসেমী, সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল হোসেন চৌতুলী ,জালালাবাদ ইমাম সমিতির সাধারণ সম্পাদক, মাওলানা হোসাইন আহমেদ, মাওলানা মুকতার আহমদ , মাওলানা সৈয়দ সালিম কাসেমী,মাওলানা শরিফ আহমদ, মাওলানা আব্দুর রহমান শাজাহান,সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা গোলাম আম্বিয়া কয়েস ,মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন,মাওলানা সদরুল আমিন মাওলানা আখতারুজ্জামান, মাওলানা হাসান আহমদ,মুফতি জাকারিয়া মাহমুদ,মাওলানা ফয়সাল আহমদ,মাওলানা কবির আহমদ এম বেলাল আহমদ চৌধুরী, মাওলানা ফয়জুল বারী, মাওলানা রফিক আহমদ মুহল্লী, মাওলানা এমাদুদ্দিন সালিম ,মাওলানা মহিবুল্লাহ, মাওলানা লুৎফুর রহমান, মাওলানা আহমদুলহ উমামা,যুব জমিয়ত মহানগরীর সভাপতি মাওলানা আসাদ উদ্দীন,সহসভাপতি আবু সুফিয়ান,মুজাহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার,সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা রেজুয়ান আহমদ চৌধুরী ,মাওলানা খলিলুল্লাহ মাহবুব, মাওলানা মিজানুর রহমান মিজান ,দক্ষিণ জেলা ছাত্র জমিয়ত সভাপতি ,কেন্দ্রীয় ছাত্র জমিয়তের সহ সভাপতি, কাউসার আহমদ,ছাত্র জমিয়ত মহানগর সভাপতি হাফিজ জামিল আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফা সাদী, উত্তর জেলা ছাত্র জমিয়তের সভাপতি জাকির হোসাইন সহ-সভাপতি,আবু তালহা তোফায়েল ছাত্র নেতা জিয়াউর রহমান ,ছাত্র নেতা খুবায়েব বিন জামিল, শায়খুল ইসলাম, মীর আইনুল ইসলাম, ফরিদ আহমদ।