সিলেট মহানগরীর এয়ারপোর্ট থানার অন্তর্গত আঙ্গারোয়া মৌজায় অবস্থিত হাজী ছলিম উল্লাহ ও হাজী হেকিম উল্লাহ ওয়াকফ এস্টেটের প্রায় ২০০ একর জায়গা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসনের সিলেট অঞ্চলের হিসাবরক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান। ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দুটি ওয়াকফ এস্টেটের ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে অংশীজনদের সাথে মতবিনিময়, পরিদর্শন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) পরিদর্শনের পর পীরের গাঁও মোকাম বাড়ী মসজিদ প্রাঙ্গণে ওয়াকফ এস্টেটের দখলীয় অংশীজন, স্থানীয় জনসাধারণ, ওয়াকফ প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং মুতাওয়াল্লিদের অংশগ্রহণে এই মতবিনিময় সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে মোস্তাফিজুর রহমান ওয়াকফ এস্টেট সংশ্লিষ্ট আইন-কানুন বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন। তিনি দখলীয় অংশীজনদের প্রতি জোর আহ্বান জানান যে, তারা যেন যত দ্রুত সম্ভব এস্টেটের দায়িত্বপ্রাপ্ত মুতাওয়াল্লির সাথে চুক্তিবদ্ধ হন। একই সাথে তিনি সতর্ক করে দেন যে, আইন অনুযায়ী চুক্তি সম্পাদিত না হলে সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় নবীন-প্রবীণ মুরব্বি, মসজিদের ইমাম এবং ৩ নং খাদিম নগর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সদস্যসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এস্টেটের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠাতা হাজী ছলিম উল্লাহ ও হাজী হেকিম উল্লাহর উত্তরাধিকারী ও মুতাওয়াল্লি মতিউর রহমানসহ রহমত এলাহি, নিয়ামত এলাহি, মাজহারুল ইসলাম আলম, সায়েম আহমেদ, আমিনুর রহমান, শাহনূর বাপ্পী, শামসুন নূর ডালিম, আল মুমিন, তাহসিন আহমদ, মো. মিলাদ আহমদ, মো. রোমান আহমদ, মো. জিহাদ আহমদ, মো. শালিক আহমদ, মো. মালেক আহমদ, মো. আকিল আহমদ, মো. হুমায়ূন কবির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভা শেষে হাজী ছলিম উল্লাহ ও হাজী হেকিম উল্লাহর আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয় এবং এর মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।