• সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
১৫ টাকায় ৩০ কেজি করে চাল পাচ্ছেন ৫৫ লাখ পরিবার সুরমার ঘাটে ঘাটে ‘চাঁদা’ আগস্টে লঘুচাপের সঙ্গে বন্যার পূর্বাভাস সিলেটে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের অর্ধশত নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মা ম লা সিলেটে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট উইথ ইমামস’ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শিবিরের জুলাই শহীদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল এসএমপির নতুন কমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণ সিলেটে চায়ের দোকানে বসে বন্ধুদের নিয়ে এইচএসসির খাতা দেখছিলেন পরীক্ষক সিলেটে বিদ্যুতের দ্বিগুণ বিলের অভিযোগে সয়লাব ফেসবুক অস্ত্র-খুনের মামলায় ১০ দিনের রিমান্ডে সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন বিশ্বনাথে ‘প্রবাসী ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন’র পক্ষ থেকে নগদ অর্থ বিতরণ এনসিপির মামলায় জেলা ছাত্রদল সভাপতি সহ ১১ জনের জামিন শ্রীমঙ্গলে লেবু বাগানে বালু সিন্ডিকেট মাধবপুরে পিআইও নূর মামুনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, বদলি স্থগিত নিয়েও প্রশ্ন কাফনের কাপড় পাঠিয়ে বিএনপি নেতাসহ ১৩ জনকে হত্যার হুমকি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সিদ্ধান্ত তারেক রহমানের হাতে ন্যস্ত: মির্জা ফখরুল এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে দেশ ছাড়ল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ছড়িয়ে পড়েছে রোনালদো-জর্জিনার বিয়ের আমন্ত্রণপত্র, আসল নাকি গুঞ্জন? টানা ৫ দিন ভারি বর্ষণের আভাস

হামে আক্রান্ত ছেলেকে নিয়ে প্রতিবন্ধী এক বাবার লড়াই

Reporter Name / ১০১ Time View
Update : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬

134

আসলাম দাড়িয়ার বয়স যখন তিন বছর, তখন জ্বর হয়েছিল। এর পর থেকে তাঁর দুই পা অবশ। দুই হাত ও দুই হাঁটুতে ভর দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে তাঁকে চলাফেরা করতে হয়। বর্তমানে তিনি তাঁর সাত মাস বয়সী ছেলে তাজিমকে নিয়ে রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে অবস্থান করছেন। ছেলে ভর্তি আছে হাসপাতালটির হামে আক্রান্ত শিশুদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ)। ছেলের শারীরিক অবস্থার খানিকটা উন্নতি হওয়ায় তাঁর কণ্ঠে কিছুটা স্বস্তির আভাস পাওয়া গেল।

গতকাল বৃহস্পতিবার কথা হলো আসলামের সঙ্গে। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া থেকে ছেলেকে নিয়ে এসেছেন এ হাসপাতালে। তাঁর স্ত্রীও আছেন হাসপাতালে। এলাকায় অটোভ্যান চালিয়ে সংসার চালান। চার ছেলে–মেয়ের মধ্যে তাজিম সবার ছোট। ছেলেটি বর্তমানে আইসিইউর ৯ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন। আসলাম হামাগুড়ি দিয়েই আইসিইউতে গিয়ে ছেলেকে দেখে আসেন।

আসলাম বলেন, ‘এখানকার ডাক্তাররা বলছেন, ছেলের অবস্থা নাকি এখন মোটামুটি ভালো।’

গত শনিবার হাসপাতালটিতে ভর্তির আধা ঘণ্টার মধ্যেই ছেলেকে চিকিৎসকেরা আইসিইউতে ভর্তি করেন।

জ্বর-কাশি-নিউমোনিয়া-হাম নিয়ে তাজিমকে প্রথমে কোটালীপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করতে হয়েছিল। সেখানে এক দিন থাকার পর তাকে গোপালগঞ্জের শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকেরা ছেলেকে ঢাকায় নিতে বলেন। ঢাকার এ হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তির পর চিকিৎসকেরা তিনটি ইনজেকশন দিতে হবে বলে জানান। একেকটি ইনজেকশনের দামই ১৫ হাজার টাকা। এতে চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন আসলাম।

আসলাম বলেন, অটোভ্যান চালিয়ে যা আয়, তা দিয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। ছেলের হামের চিকিৎসায় প্রায় এক লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে। ধারদেনা করেই এ টাকা জোগাড় করেছেন। একটি ইনজেকশন নিজে কিনেছেন। এর আগে হাসপাতালের এক নারী চিকিৎসক কিছু আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন।

গতকাল সকালে হাসপাতালটিতে যান ঢাকা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম। তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, অটোভ্যানচালক আসলাম টাকার অভাবে ছেলের চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না। ছেলেকে বাড়ি ফিরিয়ে নিতে চেয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে জেলা প্রশাসন এই ভ্যানচালকের ছেলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd