• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সিলেট ওভারসিজ সেন্টার ভাঙার প্রক্রিয়া শুরু, সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে ব্যবসায়ীদের রাতে হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সিলেটে জাসাসের বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ সিলেটে বিদ‍্যুৎ যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ নগরবাসী জুড়িকে কৃষি হাবে রূপান্তর করা হবে, স্থাপন হবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আজ থেকে শুরু প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা ২৪ ঘন্টায় সিলেটে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৪ শিশু কোম্পানীগঞ্জে বালু-পাথর তুলতে গিয়ে শ্রমিকের প্রাণহানি আম-জাম ফল ধরলে আমাকে পাঠাবেন: প্রধানমন্ত্রী সিসিক’র নববর্ষে শোভাযাত্রায় যে প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন প্রশাসক সিলেটে আধুনিক সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বর্ষবরণে সিলেটে বর্ণিল আয়োজন বাংলা সনের জীবনী বর্তমান সরকারকে শেখ হাসিনার ভূতে ধরেছে: মামুনুল হক নববর্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জামায়াত আমিরের সিলেটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালি পার হলো চীনের জাহাজ সিলেটে বর্ষবরণের নানা আয়োজন, চলছে প্রস্তুতি যুবদল নেতা মঈনসহ গ্রেপ্তার ৭ হজ পালনে ‘হজ ভিসা’ বাধ্যতামূলক করল সৌদি আরব

হকারদের রুখবে কে?সর্ষের মধ্যেই ভূত!

Reporter Name / ২০৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫

60

স্টাফ রিপোর্টার: একসময় সিলেটে কেবল ফুটপাতের কিছু অংশে হকাররা বসতেন। তবে বর্তমানে শুধু কিছু অংশ নয় নগরীর ব্যস্ততম ফুটপাতগুলোর পুরোটা এবং রাস্তার বড়ো অংশ মিলে তিন স্তরে বিশাল আয়োজনে পণ্যের পসরা সাজিয়ে প্রতিদিন বসছেন হকাররা। সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা নগরীর বন্দরবাজার, কোর্ট পয়েন্ট ও জিন্দাবাজার এলাকার।

এজন্য সিলেট সিটি কর্পোরেশনের লোকজন ও পুলিশকে ম্যানেজ করেই দোকান চালান বলে হকারদের কাছ থেকে জানা গেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ম্যানেজকারী এই হকাররা বলেন পুলিশের চেয়ে মূলত সিসিকের লোকজনই এখানে মেইন। কয়েক স্তরে তাদের ম্যানেজ করতে হয়। এজন্য একপক্ষ প্রতিদিন, একপক্ষ মাঝেমধ্যে কেতাদুরস্ত পোশাকে এসে এবং অপর ভিআইপি পক্ষকে ঈদ, পূজা ইত্যাদি উৎসবে ম্যানেজের টাকা দিতে হয়। এরমধ্যে মাঝেমধ্যে কেতাদুরস্ত পোশাকে যারা আসেন তাদের সাথে দল বেঁধে লোকজন থাকে। তারা আসেন মূলত সিগনাল দিতে যেন হকাররা বুঝেন সময় ঘনিয়ে এসেছে। আসার আগে লোক মারফত খবর পাঠান যাতে হকাররা সর্তক থাকেন। ফলে তারা আসার আগেই সব জিনিসপত্র সেদিন হকাররা সরিয়ে রাখেন। কেবল আইওয়াশ হিসেবে চোখে পড়ার জন্য দৌড়ে দ্রুতবহন যোগ্য কিছু পণ্য নিয়ে তারা উপস্থিত থাকেন। দলবল নিয়ে সেই অফিসারদের দেখার সাথে সাথেই তা নিয়ে তারা দৌড় দেন।

পুরো প্রক্রিয়াটাই থাকে সাজানো। তাই চাইলেই তাদের উচ্ছেদ করতে পারবে না যেকেউ সহজে। এ যেন সর্ষের  মধ্যেই ভূতের বসবাস। ফলে হকার নিয়ে নানান কথা উঠলেও কার্যত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না। এতে সড়কে বাজারে লেগে থাকছে দীর্ঘ বিশৃঙ্খলা ও দুর্ভোগ।

সরেজমিন নগরীর বন্দরবাজার ও কোর্ট পয়েন্টে দেখা গেছে তিন স্তরে ফুটপাত ও রাস্তায় হকাররা প্রতিদিন বসছেন। এতে রাস্তা যেমন বন্ধ হয়ে গেছে তেমনি রুদ্ধ হয়েছে হাঁটার পথও। পাশেই নগর ভবনের পেছনে বিশাল মাঠে হকার শেড থাকলেও খাঁ খাঁ করছে তা। গুটিকয়েক হকার সেখানে দোকান সাজিয়ে বসেন। ফুটপাত ও রাস্তায় জুড়ে হকাররা যেদিকে বসেন সেদিকে রাস্তা বলে আর কোনোকিছু বুঝার মতো অবশিষ্ট থাকে না।

ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে তাদের এই ব্যবসা নির্বিঘ্ন করতে প্রতিদিন দোকান ভেদে ৫০ থেকে ১০০ টাকা করে চাঁদা দিতে হয়। রাত নয়টার পর ক্রেচে ভর দিয়ে খুড়িয়ে খুড়িয়ে এসে দোকান থেকে সেই চাঁদার টাকা তুলে নেন কামাল নামের এক ব্যক্তি। তিনি যখন যে সরকার আসে তখন তাদের লোক বলে পরিচিতি পান, কামালই মূলত তিন স্তরে চাঁদার বিষয় দেখভাল করেন।
হকাররা বলেন আমাদের উচ্ছেদ করে কোনো লাভ নেই বরং রাখলেই লাভ, প্রতিদিন টাকা মিলে। নগরবাসীর কথা চিন্তা করে হকার তুলে দিলে নগরবাসী তো সিসিকের লোকদের টাকা দেবে না। তাই হকার থাকলে হকার-অফিসার সবার লাভ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd