সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি।
সুনামগঞ্জের বালি পাথর কারবারির কারবারির কিশোরী কন্যাকে কক্সবাজার থেকে উদ্যার করেছে পুলিশ। অপহরণ মামলায় জড়িত সৌদি প্রবাসী এক আসামিকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ এক বাড়ি থেকে ১৬ বছর বয়সী ভিকটিমকে উদ্ধার ও অভিযুক্ত অপহরণকারি প্রবাসী যুবককে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতর নাম,শাহজামাল মিয়া(২১)। তিনি সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের উওর বড়দল ইউনিয়নের চরগাঁও গ্রামের দিনমজুর গোলাপ মিয়ার ছেলে। তিন বছর সৌদি আরব প্রবাসে থেকে গত ২ মাস পুর্বে শাহজামাল প্রেমের টানে গ্রামের বাড়ি ফিরেন।
(০৩ জানুয়ারি) শনিবার সকালে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ ভিকটিম কিশোরী ও গ্রেফতার অপহরণকারিকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করে।
এরপুর্বে (০২ জানুয়ারি) অপহরণের শিকার ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে একই উপজেলার চরগাঁও গ্রামের শাহজামাল, একই গ্রামের তার নিকটাত্বীয় ফুল মিয়া(৫০), একই গ্রামের প্রবীণ ব্যাক্তি মোজাহিদ মিয়া (৬০) সহ তিন জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন।
গ্রেফতার প্রবাসী যুবক শাহজামালের দিন মজুর পিতা উপজেলার চরগাঁও গ্রামের বাসিন্ধা গোলাপ মিয়ার দাবি , আমি বাদাঘাট বাজারের ব্যবসায়ীদের মালামাল আনা নেয়ার মাধ্যমে দিনমজুরি, ধার দেনা করে আমার ছেলেকে সৌদি আরব পাঠাই সংসারের টানপোড়ন মেটাতে। কিন্তু উপজেলার ধনাঢ্য বালি পাথর কারবারি জাদুকাটা নদীর তীরবর্তী ঘাগড়া গ্রামের কামাললের মেয়ে আমার ছেলের সাথে মোবাইল ফোনে মাসের পর মাস কথা বার্তা বলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে ছেলেকে ফুসলিয়ে গত দুই মাস পুর্বে সৌদি আরব থেকে বাড়িতে আসতে বাধ্য করে। এরপর ওই মেয়ের প্ররোচনায় ওই মেয়েই আমার ছেলেকে ফুসলিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাবার পর মেয়ের পিতা কামাল টাকার গরমে আমার ছেলে ও জড়িত নয় গ্রামের বয়োবৃদ্ধদের নামে অপহরণ, নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে হয়রানীমূলক মামলা দায়ের করে।
রবিবার মামলার বাদী তাহিরপুরের জাদুকাটা নদী তীরবর্তী ঘাগড়া গ্রামের বালি পাথর কারবারি কামাল মিয়ার দাবি ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার সকাল ১০টায় গ্রামের বাড়ি ঘাগড়া থেকে বাদাঘাট মাধ্যমিক স্কুলে যাবার পথে আমার দশম শ্রেণিতে স্কুল পড়–য়া ১৬ বছর বয়সী কিশোরী কন্যাকে প্রবাসী যুবক অন্যদের সহযোগিতায় অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরনের সব রকম ডকুমেন্ট কামালের নিকট সংরক্ষিত রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
রবিবার সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) রাকিবুল হাসান রাসেল মামলা, গ্রেফতার, ভিকটিম উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করে বরেন , মামলাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত ও জড়িত নয় এমন কাউকে হয়রানী না করতে থানা পুলিশ, মামলার তদন্তকারি অফিসারকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।